জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায় ১২ টি পরিক্ষিত উপায়

জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায় বা ঘরোয়া টোটকা হলো আপনি নিজেই ঘরে বসে, জ্বরের ওষুধ তৈরি করে জ্বর কমাতে পারবেন। আমরা আপনাদের জন্য যে বারটি উপায় জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায় শেয়ার করব তা আমরা নিজেদের উপর প্রয়োগ করে অনেক ভালো ফলাফল পেয়েছি। জ্বর হলো কোনো রোগ নয়, এটি অন্য কোন বড় রোগকে নির্দেশ করে। যখন আপনার শরীরের ইন্টিবডি দুর্বল হয়ে যাই বিশেষ করে তখন জ্বর হয়। এজন্য আমাদের জ্বর থেকে মুক্তি পেতে হলে শরীরের ইন্টিবডি তৈরি করতে হবে। এটি আপনি ঘরোয়া উপায়ে করতে পারবেন।

জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়

এই প্রবন্ধের মাধ্যমে

জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়
জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়

জ্বর কমাতে ঘরোয়া উপায় একঃ মাথায় পানিপট্টি দিন

জ্বর হলে বাড়িতে বসে নিজেই মাথায় পানিপট্টি দিন। একটুকরা কাপড় বা রোমাল পানিতে ভিজিয়ে কপালের উপর রাখুন। এটি মাঝেমধ্যে বার বার পনিতে দিয়ে তা থেকে সমান্য পানি চিপে ফেলে দিয়ে এটি করুন। আশা করি ভালো ফল পাবেন।

জ্বর কমাতে ঘরোয়া টোটকা নাম্বার দুইঃ তুলসি পাতার ব্যবহার

কিছু তুলসি পাতা পানির মধ্যে ধুয়ে নিন। এর পর পনির মধ্যে দিয়ে ফুটান অথাবা পনিতে দিয়ে জ্বালান। যখন ফুটানো বা জ্বালানো কাজ সম্পর্ন হবে, এটি ঠাণ্ডা করে এর পনিগুলো প্রতিদিন সকালে পান করুন। আশা করি ভালো ফল পাবেন।

জ্বর কমাতে ঘরোয়া চিকিৎসা নাম্বার তিনঃ মধু ও লেবুর রসের ব্যবহার
এক চামুচ মধু এবং একটি লেবু কেটে অর্ধে অংশটুকু থেকে রস বের করুন। এরপর এক গ্লাস পানিতে সামান্য গরম পানি নিয়ে নিন। এর পর মধু, লেবুর রস গরম পানিতে মিশিয়ে পান করুন। এশা করি গরম পানিতে লেবুর এবং মধু আপনার শরীরের ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে দিবে।

জ্বর কমাতে ঘরোয়া উপায় নাম্বার চারঃ আদা ও মধু মধুর ব্যবহার
এক চামুচ আদা বাটা এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে নিন এরপর এর সাথে মধু মিশিয়ে দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন। আরো ভালো ফল পেতে এর সাথে লেবুর রস মিসাতে পারেন। আশাকরি ভালো ফল পাবেন।

জ্বর কমাতে ঘরোয়া চিকিৎসা নাম্বার পাঁচঃ রসুনের ব্যবহার
এক কোয়া রসুন কচি, কচি করে কেটে বা বেটে গরম পানির মধ্যে দশ থেকে বার মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর কিছুখন পরে সেই পানি পান করুন আশা করি অনেক উপকার হবে। অথবা রসুন বাটার সাথে মধু মিশিয়ে সেটি খান আশা করি উপাকার পাবেন।

জ্বর কমাতে ঘরোয়া উপায় নাম্বার ছয়ঃ কুসুম গরম পানিতে গোসল
যেহেতু জ্বর হলে আমাদের শরীলের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। সেজন্য শরীরে শীত শীত ভাব হয়। তাই যখন আপনার জ্বর ১০০ বেশি ডিগ্রী হবে, তখন আপনি হালকা কুসুম গরম পানিতে গোসল করতে পারেন। আশা করি ভালো ফল পাবেন।

জ্বর কমাতে ঘরোয়া চিকিৎসা নাম্বার সাতঃ মধু ও তুলসিপাতার ব্যবহার
জ্বর এবং কাশির জন্য মধু এবং তুলসি পাতা অনেক উপাকারি। যখন আপনার জ্বর এবং কাশি উভয় হবে, তখন তুলসি পাতা বেটে তা থেকে রস বের করে এর সাথে মধু মিশিয়ে খান। এটি পরিক্ষা করে অনেক উপাকার হয়েছে।

জ্বর কমাতে ঘরোয়া উপায় নাম্বার আটঃ আদা ও চা এর ব্যবহার
আদা এবং চা সম্পূর্ন রুপে চা তৈরির জন্য ফুটন্ত পানিতে চিনি দিয়ে ফোটান। চিনি মিশে গেলে চা দিয়ে ফোটাতে হবে। এরপর এতে আদার কুচি বেটে মেশান। এরপর ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন চা। আশা করি ভালো ফল পাবেন।

বাচ্চাদের জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়

জ্বর কমাতে ঘরোয়া উপায় নাম্বার নয়ঃ তরল খাবার
জ্বর হলে আমাদের সবচেয়ে বেশী সমস্যা হয় খেতে গেলে অর্থাৎ আমরা কোণো কিছু খেতে পারি না। এজন্য আমাদের প্রয়োজন তরল খাবার খাওয়া। কারন শরীর অনেক সময় ঘেমে থাকে। এজন্য আপনি স্যালায়ন, ডাবের পানি, মিশ্রি, গ্লোকোজ খেতে পারেন।

জ্বর কমাতে ঘরোয়া উপায় নাম্বার দশঃ বিশ্রাম
জ্বর হলে আমাদেরকে অবশ্যই সকল কাজ ছেড়ে বিশ্রামে থাকতে হবে।

জ্বর কমাতে ঘরোয়া টোটকা নাম্বার এগারোঃ ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার
জ্বর হলে আমাদের এন্টীবডি নষ্ট হয়ে জাই। শরীরে বিভিন্ন ভিটামিনের অভাব হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। এজন্য আমদের ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যে সকল খাবারে থাকে প্রচুর ভিটামিন এ বি সি ইত্যাদি।

জ্বর কমাতে ঘরোয়া উপায় নাম্বার বারঃ ফল এর ব্যবহার
জ্বর থেকে দ্রুত মুক্তি পাবার একটাই উপায় হলো আমাদের শরিরের এণ্টিবডি তৈরি কারা। এজন্য আমাদের বেশী বেশী ভাটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। বেশি বেশি লেবু জাতীয় ফল যেমনঃ লেবু, বাদামি লেবু, কোমলা লেবু, মালটা ইত্যাদি।

আরো পড়ুনঃ

আমাদের এই প্রবন্ধের শেষ কথাঃ আপনি আমরা যে সকল তথ্য আমাদের প্রবন্ধে উল্লেখ করেছি সেগুলো আমরা নিজেরা নিজদের উপর প্রয়োগ করে ভালো ফল পেয়েছি। এজন্য আমরা মনে করি জদি আপনি এই প্রবন্ধটি পড়েন তাহলে জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায় এর সঠিক দিকগুলো জানতে পেরেছেন।

Faq:

জ্বর কমানোর দোয়া কি?

জ্বর কমানোর দোয়া হলো 'বিসমিল্লাহিল কাবির, আউজুবিল্লাহিল আজিমি মিন শাররি কুল্লি ইরকিন না'আর ওয়া মিন শাররি হাররিন নার। '

জ্বর কমানোর ওষুধ কী কী?

জ্বর কমানোর ওষুধ হলো প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ। যেমন- নাপা, নাপা এক্সটা, প্যারাসিটামল এক্সটা, ফাস্ট ইত্যাদি।