১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের উদ্বোধন ও সমাপনী সমাবেশ

১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের উদ্বোধন ও সমাপনী সমাবেশ
১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের উদ্বোধন ও সমাপনী সমাবেশ
গতকাল শনিবার ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু হয় রাজধানীর মতিঝিল থেকে। চট্টগ্রামে সমাপনী সমাবেশে জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।

গতকাল শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় জোটের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে শুরু হয়। সকাল ৭টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে এই সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। জোটের বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা সমাবেশে অংশ নেন।

সকাল ৭টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হকসহ জোটের অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হয়।

পথে চারটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়। লংমার্চে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন পথসভায় ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।

চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত সমাপনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় জোটের এই আন্দোলন ঈদের পরের কোনো আন্দোলন নয়। তিনি এটিকে জনগণের অধিকার ও দাবি আদায়ের আন্দোলন হিসেবে উল্লেখ করেন। লংমার্চের ডাক দেওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে আরও বলেন, এই লংমার্চের ডাক দেওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় চর্মরোগ দেখা দিয়েছে এবং হিস্টাসিন খাওয়ানোর প্রয়োজন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তাদের এই আন্দোলন কোনো সাময়িক কর্মসূচি নয়।

এর আগে, ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ করে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমবেত হন। লংমার্চকে কেন্দ্র করে নগরের বিভিন্ন সড়কে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়। বিকেলে লালদীঘি ময়দানে সমাপনী সমাবেশ শুরু হয়।

সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। বক্তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, জনগণের দাবি আদায়ে তারা আন্দোলনে নেমেছেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...