বিমান কর্মীর বেল্টে ২৫ কোটি টাকার সোনা, শাহজালালে জব্দ

বিমান কর্মীর বেল্টে ২৫ কোটি টাকার সোনা, শাহজালালে জব্দ
বিমান কর্মীর বেল্টে ২৫ কোটি টাকার সোনা, শাহজালালে জব্দ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের এক কর্মীর বেল্ট থেকে ১৩.৯২ কেজি সোনা উদ্ধার করেছে কাস্টমস ও গোয়েন্দা দল। উদ্ধারকৃত সোনার বাজারমূল্য প্রায় ২৫ কোটি টাকা।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের এক কর্মীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। ঢাকা কাস্টম হাউস এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার একটি যৌথ দল এই সোনা উদ্ধার করে। উদ্ধার করা সোনার মোট ওজন ১৩ দশমিক ৯২ কেজি, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৫ কোটি টাকা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) গতকাল শনিবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনা চোরাচালানের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। দুবাই-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-১৪৮-এ এই চোরাচালানের তথ্য ছিল।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস কর্মকর্তা ও প্রিভেন্টিভ টিম বিমানটিতে বিশেষ তল্লাশি অভিযান চালায়। বিমানটির মেকানিক্যাল ও ক্লিনিং দলের সদস্যরা বিমানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ করে নামার সময় তাঁদের তল্লাশি করা হয়। এ সময় বিমানের অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনিক্যাল হেলপার মো. সোয়েব গাজীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়।

মো. সোয়েব গাজীর পরিহিত বেল্টের মধ্যে কালো স্কচটেপে মোড়ানো কয়েকটি বস্তু পাওয়া যায়। পরে সেগুলো কাস্টমস হলে নিয়ে যাওয়া হয়। বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে ওই মোড়ানো বস্তুগুলো খোলা হয়।

খুলে দেখা যায়, তার ভেতরে সোনার ১২০টি বার রয়েছে। প্রতিটি বারের ওজন ছিল ১১৬ গ্রাম। সব বারের মোট ওজন দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ৯২ কেজি। এসব সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ কোটি টাকা বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে।

কাস্টমসের প্রাথমিক ধারণা, মো. সোয়েব গাজী শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে এই সোনার বারগুলো দেশে নিয়ে আসেন। এই সোনার বারগুলো বিমানবন্দর সীমানার বাইরে পাচারের আশঙ্কা ছিল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আরও জানায়, জব্দ করা সোনার বারগুলো তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর কাস্টমসের গুদামে জমা করা হয়েছে।

অখালাস করা বা চোরাচালানের অভিযোগে আটক ও বাজেয়াপ্ত পণ্যের নিষ্পত্তি পদ্ধতি-সংক্রান্ত স্থায়ী আদেশ রয়েছে। এই আদেশ অনুযায়ী, মূল্যবান ধাতু হিসেবে সোনার বারগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...