শিক্ষা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হলো দ্বিতীয় ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হলো দ্বিতীয় ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হলো দ্বিতীয় ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি। ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০০-এর বেশি শিক্ষার্থী এতে অংশ নিচ্ছেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় ‘দ্য নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ল’ স্টুডেন্টস (নিলস্)-লিগ্যাল এমপাওয়ারমেন্ট বাংলাদেশ (এলইবি) ন্যাশনাল মডেল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি ২০২৬’ শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে নিলস্ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টার এবং এলইবি-এর যৌথ আয়োজনে এই দুই দিনব্যাপী জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫০০-এর অধিক অংশগ্রহণকারী এই আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন।

এই আয়োজনের মাধ্যমে তরুণরা আইন প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ, যুক্তিনির্ভর বিতর্ক, আইনগত বিশ্লেষণ এবং সংসদীয় কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন। সংসদীয় কার্যক্রম, আইন প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ, বিতর্ক, আইনগত বিশ্লেষণ এবং সমসাময়িক আইন ও সুশাসনবিষয়ক আলোচনার মাধ্যমে তরুণদের বাস্তবভিত্তিক আইনসভা কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা প্রদানের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এটি তরুণদের নেতৃত্ব, গবেষণা, আইনগত বিশ্লেষণ, জনসমক্ষে বক্তব্য প্রদান, নীতিনির্ধারণী সক্ষমতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যোগ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জাফর আহমেদ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান এই অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামসুল হক।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি প্রো-ভিসি (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমিন এবং প্রো-ভিসি (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো: শফিকুল ইসলাম। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি জিয়াউল হক, চবি আইন অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর এ. বি. এম. আবু নোমান এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি মুহাম্মদ মহিউদ্দিনও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ব্যক্তিগত নীতিপত্র উপস্থাপন করা হয়। মধ্যাহ্নভোজ ও নামাজের বিরতির পর বক্তাদের উদ্দেশে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ব্যক্তিগত নীতিপ্রস্তাব ও প্রস্তাবিত সংশোধনী নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়।

আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে প্রস্তাবিত সংশোধনী উপস্থাপন করা হবে। সংশোধনী নিয়ে সমালোচনামূলক পর্যালোচনা ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর সংশোধিত খসড়া বিলের ওপর ভোট গ্রহণ এবং বিল আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানও আয়োজিত হবে।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...