এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ ফেলে যাওয়া বাসের চালকসহ ৩ জন গ্রেফতার

এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ ফেলে যাওয়া বাসের চালকসহ ৩ জন গ্রেফতার
এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ ফেলে যাওয়া বাসের চালকসহ ৩ জন গ্রেফতার
রাজধানীর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে স্কচটেপ দিয়ে মুখ আটকানো লাশ উদ্ধারের ঘটনায় বাসচালকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে ফিরছিলেন বলে জানা গেছে।

রাজধানীর বনানী এলাকায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন বাসচালক সোহেল রানা (৪০), বাসের সুপারভাইজার সাজু (২৮) এবং হেলপার মনির (১৮)। স্কচটেপ দিয়ে মুখ আটকানো অবস্থায় ওই লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।

র‍্যাব-১ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার এই তথ্য জানানো হয়। গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল নয়টার দিকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতনামা লাশটি উদ্ধার করা হয়েছিল। পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডার ব্যবহার করে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন, যিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে।

র‍্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, ইসমাইল হোসেন জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পথিমধ্যে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার লাশ এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে ছায়াতদন্ত শুরু করে র‍্যাব-১। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এই তদন্ত পরিচালিত হয়। এই তদন্তের মাধ্যমে বাসচালক সোহেল রানাকে হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

পরে ডিএমপির বনানী থানার আওতাধীন মহাখালী এলাকার ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালের সামনে অভিযান চালানো হয়। এই অভিযান থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব আরও জানায়, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে বাসের সুপারভাইজার সাজু এবং হেলপার মনিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ‘রাজ ক্লাসিক’ নামের বাসটিও জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত সোহেল রানাকে ডিএমপির বনানী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। র‍্যাব জানিয়েছে, অন্য দুই আসামির বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...