জাপানের আইচি নাগোয়ায় এবার এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই গেমসে ক্রিকেট ইভেন্টও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যান্য টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও তাদের মূল দল নিয়ে এশিয়ান গেমস টি-টোয়েন্টিতে অংশ নিচ্ছে। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস।
কয়েক বছর ধরেই এশিয়ার ক্রিকেটের বিভিন্ন স্তরে জাপানের নাম শোনা যাচ্ছে। সর্বশেষ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও তারা খেলেছে। তবে ক্রিকেটে জাপান এখনো ততটা বড় নাম নয়, এবং স্বাভাবিকভাবেই সেখানে ক্রিকেট অবকাঠামোও তেমন গড়ে ওঠেনি।
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ছেলেদের দলের কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীনকে জাপানের উইকেট সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে (বিওএ) এ-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে রসিকতা করেন। কোচ বলেন, "উইকেট নিয়ে কোনো ধারণা নেই, কিন্তু কে বানিয়েছে জানি।" তার এই কথার পর সংবাদ সম্মেলনে হাসির রোল পড়ে যায়।
আইচি নাগোয়ার যে মাঠে ক্রিকেট খেলা হবে, সেই কো রোগি স্পোর্টস পার্কের কিউরেটরের দায়িত্বে আছেন গামিনি ডি সিলভা। এই শ্রীলঙ্কান প্রায় দেড় দশক ধরে মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের কিউরেটর ছিলেন। কোচের রসিকতা তার এই পূর্ব অভিজ্ঞতাকে মনে করিয়ে দেয়।
আইচি নাগোয়ার অস্থায়ী সুযোগ-সুবিধার ক্রিকেট মাঠে হাইব্রিড পিচ তৈরি করা হয়েছে। কৃত্রিম ও প্রাকৃতিক ঘাসের মিশ্রণে এ ধরনের উইকেট তৈরি করা হয়। গামিনি ডি সিলভা উইকেট বানাচ্ছেন বলে বাংলাদেশ কি ঘরের মাঠের সুবিধা পাবে—এমন পাল্টা প্রশ্ন করা হয় সালাহউদ্দীনকে।
এবারের এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ দলের কোচ কিছুটা সিরিয়াস হয়ে জবাব দেন। তিনি বলেন, "একেক দেশের আবহাওয়া একেক রকম। আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করবে আসলে উইকেটটা কী রকম হবে।" তিনি আরও যোগ করেন, "গামিনিকে দোষ দিয়ে তো লাভ নেই। আমরা আসলে নিজেরাই বানাতে বলতাম এই ধরনের উইকেট।"
এশিয়ান গেমসে এবার বাংলাদেশ মোট ২২টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ক্রিকেটকে নিয়ে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের বড় আশা রয়েছে। কোচ সালাহউদ্দীনও ছেলে ও মেয়েদের দুই ইভেন্টেই ভালো করার বিষয়ে আশাবাদী। তিনি উল্লেখ করেন, "সবাই আশা করে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভালো করবে।"

মতামত (0)