গ্রামীণফোন একাডেমিতে ৪ লাখ নিবন্ধন, এআই কোর্সে ব্যাপক চাহিদা

গ্রামীণফোন একাডেমিতে ৪ লাখ নিবন্ধন, এআই কোর্সে ব্যাপক চাহিদা
গ্রামীণফোন একাডেমিতে ৪ লাখ নিবন্ধন, এআই কোর্সে ব্যাপক চাহিদা
গ্রামীণফোন একাডেমি ৪ লাখ নিবন্ধনের মাইলফলক অর্জন করেছে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) কোর্সগুলো সবচেয়ে জনপ্রিয়। গত আট মাসে ৪০ হাজার তরুণ-তরুণী এআই কোর্সে অংশ নিয়েছেন।

গ্রামীণফোনের বিনা মূল্যের অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম ‘গ্রামীণফোন একাডেমি’ চার লাখ নিবন্ধনের মাইলফলক অর্জন করেছে। প্ল্যাটফর্মটিতে থাকা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) কোর্সগুলো চাহিদার শীর্ষে রয়েছে। গত আট মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৪০ হাজার তরুণ-তরুণী বিভিন্ন এআই কোর্সে অংশ নিয়েছেন। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রামীণফোন এই তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্রামীণফোন একাডেমি এমন এক সময়ে এই মাইলফলক অর্জন করেছে যখন প্রযুক্তিগত পরিবর্তন ঘটছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং অন্যান্য উদীয়মান প্রযুক্তি মানুষের শেখার পদ্ধতি পরিবর্তন করছে। একই সাথে কাজের ধরন এবং কর্মজীবনের বিকাশের প্রক্রিয়াও বদলে যাচ্ছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ডিজিটাল দক্ষতার গুরুত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই বাস্তবতায় তরুণদের ভবিষ্যতের এআইনির্ভর অর্থনীতির জন্য প্রস্তুত করতে গ্রামীণফোন একাডেমি তাদের ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ আরও বিস্তৃত করছে। গ্রামীণফোন একাডেমির এআই প্রোগ্রামে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, এআই এজেন্টস এবং ক্রিয়েটিভ ইন্টেলিজেন্স।

এছাড়াও ওয়ার্কফ্লো অটোমেশন, এআইয়ের সহায়তায় পোর্টফোলিও তৈরি এবং কোডিং ছাড়াই অ্যাপ নির্মাণের মতো কোর্স রয়েছে। এআইনির্ভর ইউজার এক্সপেরিয়েন্স (ইউএক্স) এবং মেশিন লার্নিংও এই প্রোগ্রামের অংশ। ইতোমধ্যে গ্রামীণফোন একাডেমির বিভিন্ন কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করে ৫০ হাজার শিক্ষার্থী সনদ অর্জন করেছেন।

এই প্ল্যাটফর্ম শুধু শ্রেণিকক্ষের জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে না। নতুন দক্ষতাকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচনেও শিক্ষার্থীদের সহায়তা করছে। গ্রামীণফোনের হেড অব এনভায়রনমেন্টাল, সোশ্যাল অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (ইএসজি) ফারহানা ইসলাম এ বিষয়ে কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছর প্রায় ২২ লাখ মানুষ বাংলাদেশের কর্মসংস্থান বাজারে প্রবেশ করছেন। দেশের মোট বেকার জনসংখ্যার ৭৮ দশমিক ৯ শতাংশই তরুণ। প্রযুক্তির দ্রুত রূপান্তর কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতার ধরনেও বড় পরিবর্তন নিয়ে আসছে।

ফারহানা ইসলাম আরও বলেন, পরিবর্তনশীল ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে তরুণদের জন্য সময়োপযোগী ও সহজলভ্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামীণফোন একাডেমিতে চার লাখ নিবন্ধনের এই মাইলফলক তরুণদের আগ্রহের প্রমাণ। এআই কোর্সগুলোতে তাদের ব্যাপক অংশগ্রহণ শেখার ও নিজেদের গড়ে তোলার জন্য তাদের আগ্রহকে তুলে ধরে।

গ্রামীণফোন একাডেমির মাধ্যমে শেখার এই আগ্রহকে এমন দক্ষতায় রূপান্তর করার লক্ষ্য রয়েছে। এই দক্ষতা ভবিষ্যতে তরুণদের জন্য নতুন ও অর্থবহ সুযোগ তৈরি করবে। গ্রামীণফোন একাডেমি তরুণদের জন্য ডিজিটাল, পেশাগত ও উদীয়মান প্রযুক্তির দক্ষতা অর্জনে সহজ সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।

এখানে এআই এবং ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের উপযোগী সক্ষমতা তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থান উপযোগী করে তোলার পাশাপাশি বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে তাঁদের আরও কার্যকর ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই গ্রামীণফোনের লক্ষ্য।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...