কেশবপুরে চেতনানাশক স্প্রে প্রয়োগে চারটি বাড়িতে ৪২ ভরি স্বর্ণ ও সাড়ে ৪ লাখ টাকা চুরি
সম্পাদক১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ · 1 ঘণ্টা আগে
কেশবপুরে চেতনানাশক স্প্রে প্রয়োগে চারটি বাড়িতে ৪২ ভরি স্বর্ণ ও সাড়ে ৪ লাখ টাকা চুরি
যশোরের কেশবপুর উপজেলায় গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর রাতে চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহার করে চারটি বাড়িতে মোট ৪২ ভরি স্বর্ণালংকার ও সাড়ে ৪ লাখ টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়েন।
যশোরের কেশবপুর উপজেলায় গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর রাতে চারটি বাড়িতে চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহার করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে। সংঘটিত এসব ঘটনায় মোট ৪২ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ সাড়ে চার লাখ টাকা খোয়া গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে। চোরেরা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ছাড়া অন্য কোনো মালামাল নেয়নি।
গত ১০ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার মজিদপুর পূর্বপাড়া গ্রামের আতিয়ার রহমানের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা আতিয়ার রহমান (৬৫) ও তার স্ত্রী রাবেয়া বেগমকে (৫০) চেতনানাশক স্প্রে প্রয়োগ করে অচেতন করে। এরপর বাড়ির গেট, দরজা, আলমারি ও শোকেসের তালা ভেঙে ১২ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে যায়। অসুস্থ আতিয়ার রহমান ও তার স্ত্রীকে বর্তমানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
একই রাতে উপজেলার সাগরদাঁড়ী শেখপুরা গ্রামের মাস্টার আব্দুস সাত্তারের বাড়িতেও একই কৌশলে চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিবারের স্বজনদের দাবি, বাড়ির সদস্যদের অচেতন করে ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ দুই লাখ টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আব্দুস সাত্তারসহ পরিবারের তিন সদস্য বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার রেজাকাটি গ্রামের মাস্টার আব্দুল আলিম ও আব্দুল মমিনের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের দাবি, দুই বাড়ির সদস্যদের অচেতন করে মোট ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ দেড় লাখ টাকা নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় আব্দুল আলিম, আব্দুল মমিন, তাদের মা মাহমুদা বেগম, বড় ভাবি রোজিনা বেগম ও পাঁচ বছর বয়সী শিশু মধু অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরদিন, অর্থাৎ ১০ সেপ্টেম্বর, তাদের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খাতুন জানিয়েছেন, চারটি বাড়িতে চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলছে। ওসি আরও বলেন, সবার সহযোগিতায় এই চক্রকে ধরে আইনের আওতায় এনে নির্মূল করার জন্য জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
মতামত (0)