শহরের ব্যস্ত জীবন এবং জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দুই চাকার ইলেকট্রনিক ভেহিকেল (ইভি) জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কর্মব্যস্ত নগরজীবনে অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সময়মতো পৌঁছাতে যানজট ও জ্বালানি সংগ্রহের চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ইভি দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর পাশাপাশি জ্বালানি খরচের চাপ কমাচ্ছে। সহজ নিয়ন্ত্রণ ও স্বাচ্ছন্দ্যের কারণে এটি জ্যেষ্ঠ নাগরিক এবং নারীদের জন্যও সুবিধাজনক একটি যাতায়াত সমাধান।
বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের (বিএসইসি) অধীন অ্যাটলাস বাংলাদেশ লিমিটেড (এবিএল) দেশে বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল সংযোজন ও উৎপাদনে উদ্যোগী হয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত এই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চীনের ঝেজিয়াং লুইউয়ান ইলেকট্রিক ভেহিকেল কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে অরিজিনাল ইকুইপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার (ওইএম) ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার চুক্তি করেছে। স্থানীয়ভাবে বৈদ্যুতিক বাহন খাতের বিকাশ এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলা এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে অ্যাটলাস বাংলাদেশ লিমিটেড ৫ নভেম্বর ২০২৫ থেকে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাটলাস ইভি বাজারজাত করছে। সম্প্রতি তারা নতুন মডেলের চারটি অ্যাটলাস ইভি বাজারে এনেছে। মডেলগুলো হলো এস৭০, এস৮০, এস৯০-এ এবং এস১০০। ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন শহুরে চলাচল থেকে শুরু করে তুলনামূলক দীর্ঘ দূরত্বের যাতায়াতের প্রয়োজন অনুযায়ী এই মডেলগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন মোটর, ব্যাটারি, রেঞ্জ ও অন্যান্য ফিচার রাখা হয়েছে।
অ্যাটলাস ইভির এস৭০ মডেলটিতে ৬০ ভোল্ট, ৬০০ ওয়াট লিকুইড কুলিং মোটর এবং ৬০ ভোল্ট ২৩ অ্যাম্পিয়ার আওয়ার গ্রাফিন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। এই ইভি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪৫ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে এবং একবার চার্জে ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত রেঞ্জ দিতে সক্ষম। এর ব্রেকিং সিস্টেমে ১৮০ মিলিমিটার ডিস্ক ব্রেক ও সিরামিক ড্রাম ব্রেক রয়েছে, সাথে রেডিয়াল অ্যান্টি-পাংচার টায়ার যুক্ত। ব্যাটারিসহ এস৭০ মডেলের ওজন ৯৫ কেজি।



মতামত (0)