সায়েন্স কমিউনিকেটর হিসেবে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদ্যাপনে গতকাল মঙ্গলবার ব্রিটিশ কাউন্সিল তাদের রাজধানীর ফুলার রোডে অবস্থিত নিজস্ব কার্যালয়ে ফেইমল্যাব একাডেমি বাংলাদেশ ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফিনালে আয়োজন করে। এই প্রতিযোগিতায় লন্ডন স্কুল অব ইংলিশের শিক্ষার্থী হুমাইরা তাফসির সারা জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। স্যার জন উইলসন স্কুলের শিক্ষার্থী ওয়ারদা ফাতিমা খান প্রথম রানারআপ এবং সেন্ট জোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থী মো. জিয়াউল হক রেয়ান দ্বিতীয় রানারআপের স্থান অর্জন করে।
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (এসটিইএম) বিষয়ে যোগাযোগের দক্ষতা বাড়াতে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। প্রতিযোগীদের খালি মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিন মিনিটের মধ্যে বিজ্ঞান, প্রকৌশল অথবা গণিত–সংশ্লিষ্ট ধারণা ব্যাখ্যা করতে হয়। এক্ষেত্রে প্রতিযোগীরা শুধু হাতে বহন করা যায়, এমন উপকরণ ব্যবহার করতে পারে; কোনো ডিজিটাল নোট বা পাওয়ারপয়েন্ট ব্যবহারের সুযোগ থাকে না।
প্রতিযোগীদের বিষয়বস্তু, স্পষ্টতা ও উপস্থাপনার ধরন—এই তিনটি মূল মানদণ্ডে বিচার করা হয়। এ বছর বাংলাদেশ থেকে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর ১১টি স্কুলের ৩১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিলেও এবার ২২টি স্কুলের ৪৪ জন প্রার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
এবারের প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্বে মোট ৩৯ জন শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতা করে। তাদের মধ্যে সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০ জন গ্র্যান্ড ফিনালের জন্য নির্বাচিত হয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো স্যার জন উইলসন স্কুল, লন্ডন স্কুল অব ইংলিশ, কিডস ক্যাম্পাস স্কুল, প্যারামাউন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা, গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং সেন্ট জোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল।
ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব মার্কেট জুনায়েদ আহমেদ বলেন, ফাইনালিস্টরা কতটা জানে, ফেইমল্যাবে তা যাচাই করা হয় না। বরং তারা যা জানে, তা দিয়ে অন্যদের আগ্রহী করে তুলতে পারে কি না, সেটাই এখানে যাচাই করা হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কোনো বিষয় জানা এবং সেই বিষয় অন্যকে বোঝাতে পারা দুটি ভিন্ন দক্ষতা।



মতামত (0)