আন্তর্জাতিক

পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি কার্যকর

পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি কার্যকর
পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি কার্যকর
মার্কিন দূতদের কিয়েভ সফরের প্রস্তুতি হিসেবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ৭২ ঘণ্টার জন্য হামলা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, যা শনিবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়েছে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ৭২ ঘণ্টা হামলা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার মধ্যরাত থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই বিরতি একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চলমান থাকবে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ রুশ বার্তা সংস্থাকে নিশ্চিত করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের কিয়েভ সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ রোববার এই দুই দূত কিয়েভে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন করে আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার শনিবার মস্কোয় পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব রয়েছে। মস্কোয় তাদের আলোচনা শেষে আজ রোববার কিয়েভ যাওয়ার কথা।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে তার পাঠানো দূতদের প্রথম কিয়েভ সফর। শুক্রবার ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ বন্ধে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখতে তিনি দুই দূতকে মস্কো ও কিয়েভে পাঠিয়েছেন।

ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, দূতদের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের একটি প্রস্তাব রয়েছে। তবে সেই প্রস্তাবে ইউক্রেনকে কোনো ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

এদিকে আলোচনার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনা যতটা সম্ভব গঠনমূলক ও অর্থবহ হওয়া প্রয়োজন। জেলেনস্কি আরও জোর দিয়ে বলেন, এই যুদ্ধ কীভাবে শেষ করা যায়, সে বিষয়ে বাস্তবসম্মত পথ খুঁজে বের করতে হবে।

এর আগে চলতি বছরের শুরুতে আবুধাবি ও জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তিন দফা আলোচনা হয়েছিল। তবে সেসব আলোচনায় যুদ্ধ বন্ধে কোনো সমঝোতা হয়নি। ফলস্বরূপ, পরে আলোচনাও স্থগিত হয়ে যায়।

রুশ উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ জানিয়েছেন, আলোচনায় অগ্রসর হতে হলে যুদ্ধক্ষেত্রের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে। এটি যেকোনো অগ্রগতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...