জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন 

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৩ সালের শেষ কিংবা ২০২৪ সালের শুরুতে বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

২০২১ সালের ১২ এপ্রিল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পুরোটাই ইভিএমে ভোট করার ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন।  ৯ সেপ্টেম্বর নিজ দলকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

সংবিধানের বিদ্যমান ব্যবস্থায় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সংসদ বহাল থাকাবস্থায় বর্তমান ক্ষমতাসীন দলীয় সরকারের অধীন ২৯ জানুয়ারি ২০২৪-এর অব্যবহিত ৯০ দিন পূর্ববর্তী সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে তড়িঘড়ি করে গত ২৯ জানুয়ারি ২০২২ নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইনটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৩

২০২১ সালের শেষ দিকে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রস্তুতি শুরু করে সরকার। ২০২১ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে সংলাপে অংশগ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ

২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২ পাস করা হয়। আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য অনুসন্ধান কমিটি, ২০২২ গঠন করা হয়।

আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য অনুসন্ধান কমিটি, ২০২২ গঠন করা হয়। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত বিধানাবলি অনুযায়ী একাদশ জাতীয় সংসদের মেয়াদ পূর্তির আগের ৯০ দিন সময়কালের মধ্যে সংসদ বহাল থাকাবস্থায় ক্ষমতাসীন সরকারের অধীন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

৫ সেপ্টেম্বর দুই দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ

২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনী পরবর্তী প্রণীত বিধানাবলির আলোকে দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নবম সংসদ নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায় নির্বাচন কমিশনের দেয়া তথ্য মতে, আমাদের দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ শতকরা ৮৬ ভাগের অধিক ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন অথচ এ নির্বাচনটির এক মাস পর যে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তাতে তাদের দেয়া তথ্য মতে ভোট প্রদানের হার ছিল শতকরা ৪৫ ভাগ।

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল-পরবর্তী দশম সংসদ নির্বাচন তৎকালীন প্রধান বিরোধী দল বিএনপির বর্জনে একতরফাভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

এ নির্বাচনটিতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের জন্য উন্মুক্ত সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে এর অর্ধেকেরও অধিক আসনের ১৫৩ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

অপর যে ১৪৭টি আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় এগুলোতে প্রধান বিরোধী দলের বর্জনের কারণে ভোটার উপস্থিতি নগণ্য হলেও অনুগত নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন ক্ষমতাসীনদের বাসনা অনুযায়ী সব ধরনের অনিয়ম অবজ্ঞা ও উপেক্ষাপূর্বক একপেশে ফলাফল প্রকাশ করে তাদের বিজয়ী ঘোষণা করে।

৫ সেপ্টেম্বর দুই দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৩ FAQ

১২ তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হবে?

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অথবা ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে। অর্থাৎ ২০২৩ সালের শেষ কিংবা ২০২৪ সালের শুরুতে।

জাতীয় নির্বাচন কবে হবে ২০২২?

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অথবা ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে। অর্থাৎ ২০২৩ সালের শেষ কিংবা ২০২৪ সালের শুরুতে।

সরকারি ভোট কবে হবে?

সরকারি ভোট কবে হবে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অথবা ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে। অর্থাৎ ২০২৩ সালের শেষ কিংবা ২০২৪ সালের শুরুতে।

জাতীয় নির্বাচন ২০২৩ কোন মাসে?

জাতীয় নির্বাচন ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অথবা ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে।

জাতীয় নির্বাচন ২০২৩ কবে হবে?

জাতীয় নির্বাচন ২০২৩ হবে ২০২৩ সালের শেষ কিংবা ২০২৪ সালের শুরুতে।