দুর্গন্ধযুক্ত পাদ থেকে মুক্তির উপায়

পাদ থেকে মুক্তির উপায়
পাদ থেকে মুক্তির উপায়

দুর্গন্ধযুক্ত পাদ থেকে মুক্তির উপায় পাদ, পাদ  কি তা জানব। পাদ হওয়ার মূল কারণ। পাদ হওয়ার কারণ হলো আমার যখন খাদ্য গ্রহণ করি তখন খাদ্যের সাথে সাথে কিছু গ্যাস আমাদের পাকস্থলীতে চলে যায়,  সেই গ্যাস আমাদের মলদ্বার দিয়ে বেরিয়ে যায় তখন গ্যাসের সৃষ্টি হয়।

অথবা আমরা যখন খাদ্য গ্রহণ করি সে খাদ্য যখন পাকস্থলীতে সঠিকভাবে হজম না হয় তখন গ্যাসের সৃষ্টি হয়, সেই গ্যাস আমাদের বাটক বা মলদ্বার দিয়ে বেরিয়ে আসে তখন পাদের সৃষ্টি হয় সেটাকে আমরা পাদ বলে থাকি।

পাদ কত প্রকার ?

আসলে পাদ কত প্রকার তা নির্দিষ্ট ভাবে বলা যায় না। তবে অনেকে মজা করে পাদের বিভিন্ন নাম দিয়েছে। কেউ বলে দুই প্রকার, কেউ বলে চার প্রকার, কেউ বলে আট প্রকার, আসলে পাদ কে আমরা কোন প্রকার ভেদ করতে পারে না।

আপনারা আগে থেকে জেনেছেন যে মানুষ  পাদ মারার কারণ হলো পাকস্থলী তে যদি কোন প্রকারে গ্যাসের সৃষ্টি হয় সেটি আমাদের মলদ্বার দ্বারা বেরিয়ে আসে অথবা এটি মুখ দিয়েও অনেক সময় বেরিয়ে যায়, বিশেষ করে খাওয়ার পর।

আমরা পাদের কোন প্রকারে ভাগ করতে পারি না। পাদ মানুষের শরীরের পিড়া থেকে মুক্তি দেয়। আমরা বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পায় পাদের মাধ্যমে।

দুর্গন্ধযুক্ত পাদ থেকে মুক্তির উপায়

আমরা সংক্ষেপে আপনাদের সাথে শেয়ার করব যে কিভাবে আপনি দুর্গন্ধযুক্ত পাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

  • আপনার যদি কষ্টোকাঠিনো সমস্যা থাকে তাহলে আপনি পাতলা খাবার বেশি খাবেন। এছাড়াও বিশেষ করে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ইসুবগুলের ভুসি খাবেন।
  • দুর্গন্ধযুক্ত পাদ তখনি হয় যখন আপনি আপনার মলদ্বার ক্লিয়ার না রাখেন। এক কথায় পায়খানা যদি না হয় নিয়মিত সেজন্য আপনাকে চেষ্টা করতে হবে প্রতিদিন পায়খানা করতে। অথবা চেষ্টা করবেন আপনার মলদ্বার সব সময় ক্লিয়ার রাখতে হবে।
  • খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না।
  • খাওয়ার সময় মনোযোগ সহকারে খাবেন।
  • যে সকল খাবার খেলে আপনার পায়খানা ক্লিয়ার হয় না সেসব খাবার পরিহার করুন।
  • পাঁচ দিন অথবা সাদ দিন পায়খানা না হলে আপনি অবশ্যই ডাক্তার দেখাবেন অথবা প্রতিদিন সকালে বাসি পেটে ইসুবগুলের ভুসি খাবেন।

পাদ থেকে মুক্তির উপায়

পাদ থেকে কিভাবে মুক্তি পাবেন খুব সংক্ষেপে আপনাদের সাথে শেয়ার করব।

  • আপনারা যখন খাবার খাবেন তখন খাবার খাওয়ার আগে পানি খেয়ে নিবেন।
  • খাবার খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো করে খাবেন না।
  • খাবার খাওয়ার সময় চিবিয়ে চিবিয়ে ভালোভাবে মিক্সিং করে নেবেন।
  • খাবার খাওয়ার সময় মাঝেমধ্যে পানি খাবেন না। পানি খাবেন খাবার  খাওয়ার প্রথমে এবং খাবার খাওয়ার শেষে। পানি খাওয়ার সময় বায়ু প্রবেশ করতে পারে।
  • আপনার যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে তাহলে গ্যাসের দুর্গন্ধ যুক্ত গ্যাসের সৃষ্টি হতে পারে, এজন্য আপনাকে পাতলা খাবার খেতে হবে।
  • আপনার যদি গ্যাসের সমস্যা থাকে তাহলে গ্যাসের বড়ি খেয়ে দিতে পারেন খাবার আধা ঘণ্টা আগে।

আরো পড়ূণঃ

সর্বশেষে আমরা বলিঃ আপনার যদি পায়খানা ক্লিয়ার না হয় অবশ্যই একটি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন। এছাড়াও আমরা যে তথ্যগুলো আপনার সাথে শেয়ার করেছি সেগুলো আপনি নিজে মানতে পারেন। যদি কোন প্রকার উপকারিতা পান তাহলে অবশ্যই এই প্রবন্ধটি আপনার বন্ধু বা বান্ধবী কে শেয়ার করবেন।