মানসিক শক্তি বৃদ্ধির উপায় সংক্ষেপে

মানসিক শক্তি বৃদ্ধির উপায় সংক্ষেপে জেনে নেই যে কি কি উপায়ে আপনি মানসিক শক্তি বাড়াতে পারেন।

মানসিক শক্তি বৃদ্ধির উপায়

১। ব্যায়ামে মস্তিষ্কের আকার বাড়ে
২। হাঁটাচলায় বাড়ে স্মৃতিশক্তি
৩। মগজের শক্তির জন্য বেছে নিন সঠিক খাবার
৪। খুঁজে নিন অবসর
৫। নতুন কিছু করুন
৬। সুরের মাঝে লুকিয়ে আছে শক্তি
৭। বিছানায় শুয়ে পরীক্ষার পড়া
৮। ঘুম যখন ভাঙল
৯। পরিকল্পিত জীবনযাপন করুন যাদের
১০। ইতিবাচক হোন
১১। ব্যায়াম করুন
১২। শখ থেকে শক্তি
১৩। হাসান, কাঁদুন
১৪। ভাগ্যকে দোষারোপ না করা
১৫। সকালের খাবার অবশ্যই খান
১৬। ধ্যান করুন
১৭। মানসিক চাপ ও রাগ নিয়ন্ত্রণ
১৮। ধূমপান ও মদ্যপান এড়িয়ে চলুন
১৯। ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত খাবার খান
২০। সক্রিয় থাকুন
২১। পানি পান করুন

মানসিক শক্তি বৃদ্ধির ৮টি উপায় 

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য এখানে কিছু টিপস রয়েছে:

নিয়মিত ব্যায়াম করুন: ব্যায়াম শুধুমাত্র পেশীর শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে না বরং মস্তিষ্কে সাইন্যাপসের সংখ্যা বাড়িয়ে মস্তিষ্কের আকারও বাড়ায়। কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়াম মস্তিষ্কে অক্সিজেন এবং গ্লুকোজ সরবরাহের হার উন্নত করে।

হাঁটা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়: হাঁটা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। বক্তৃতা এবং উপস্থাপনা মুখস্থ করার জন্য অভিনেতারাও এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করেন।

সঠিকভাবে খান: মস্তিষ্কের সঠিকভাবে কাজ করার জন্য গ্লুকোজ প্রয়োজন। এমন খাবার খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ যা মস্তিষ্কের পুরষ্কার এলাকায় ডোপামিন নিঃসরণ করে, আমাদের আনন্দিত করে। আমাদের পরিপাকতন্ত্রের অণুজীবের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

অবসর সময় খুঁজুন: নিম্ন স্তরের চাপ স্বাস্থ্যের জন্য ভাল, কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী চাপ এবং উদ্বেগ মস্তিষ্কের জন্য খারাপ। আপনার মস্তিষ্ককে বিরতি দেওয়ার জন্য কাজের মধ্যে অবসর সময় বের করা গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন কিছু শিখুন: নতুন কিছু করার জন্য মস্তিষ্ককে চ্যালেঞ্জ করা, যেমন একটি নতুন ভাষা শেখা বা গেম খেলা, মস্তিষ্কের শক্তি বৃদ্ধি করে।

গান শুনুন: গান শোনা মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত করে এবং ডিমেনশিয়ার মতো মানসিক অবস্থা প্রতিরোধ করতে পারে।

বিছানায় শুয়ে অধ্যয়ন: আমরা যখন নতুন কিছু শিখি তখন মস্তিষ্ক নতুন নিউরন থেকে নিউরন সংযোগ তৈরি করে। কিছু শেখার পরে ঘুমানো এই সংযোগগুলিকে শক্তিশালী করে এবং আমাদের আরও ভাল মনে রাখতে সাহায্য করে।

পর্যাপ্ত ঘুম পান: পাঁচ ঘণ্টার কম বা দশ ঘণ্টার বেশি ঘুম মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে দিতে পারে। দিনের শুরুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে জেগে ওঠার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।