শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার মান, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন এবং আয়-ব্যয়ের ওপর কঠোর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একই সাথে তিনি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান উপযোগী করে তুলতে দক্ষতাভিত্তিক কারিকুলাম, পরীক্ষা পদ্ধতিতে সংস্কার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ‘ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড’ ও শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা ছয় বছরে স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সেরা ফলাফল অর্জনকারী ৩৭টি কলেজের ৫৭ শিক্ষার্থীকে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে সনদ, ক্রেস্ট ও ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
এছাড়াও ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জন্য নির্বাচিত ১ হাজার ৫২৫টি কলেজের ৪ হাজার ৯২১ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে। জনপ্রতি ৬ হাজার টাকা করে মোট ২ কোটি ৯৫ লাখ ২৬ হাজার টাকা শিক্ষাবৃত্তি হিসেবে প্রদান করা হয়। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, আর্থিকভাবে অসচ্ছল, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা রয়েছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীরাও এই বৃত্তির আওতায় এসেছেন।



মতামত (0)