বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ৫৮৭ জন কর্মী নিয়োগ দেবে। নির্বাচিত প্রার্থীদের এক বছরের জন্য ‘শিক্ষানবিশ এসবিএ-এ’ হিসেবে প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হবে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ১৪৬০ মিটার রিডার-কাম-ম্যাসেঞ্জার পদে লোকবল নেবে। এই পদের কর্মীরা বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুত, গ্রাহকসেবা এবং অফিসের বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে যুক্ত থাকেন।
আনসার ব্যাটালিয়ন সিপাহি পদে চাকরির সুযোগ দিচ্ছে। এই পদে দেশের সব জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন এবং বাছাই পরীক্ষা বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে নিরাপত্তাকর্মীর চাহিদা বাড়ছে। প্রশিক্ষিত নিরাপত্তাকর্মীরা সিকিউরিটি কম্পানি বা নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট পোশাক পরে সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমান সময়ে চাকরির বাজারে তুমুল প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উচ্চশিক্ষা নিলেই চাকরি পাওয়া সহজ নয়, বরং কর্মক্ষেত্রে সফট স্কিলের সংকটও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের (বিজেএস) নিয়োগ পরীক্ষা একটি সুদীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া। ভাইভা বোর্ডে সফল হওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে হয়।
রিটেন পরীক্ষায় কত নম্বর পাওয়া যাবে, এমন প্রশ্নও ভাইভা বোর্ডে আসতে পারে। একজন প্রার্থীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর দেন, “৬০০+ পাবো, ইনশাআল্লাহ।” ভাইভা বোর্ডে প্লেডিংস নিয়েও প্রশ্ন করা হয়।
কম সিজিপিএ নিয়েও বিজেএস-এ সফল হওয়ার উদাহরণ রয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের একজন শিক্ষার্থী ২.৯০ সিজিপিএ নিয়ে পরপর তিনবার ব্যর্থ হওয়ার পর অবশেষে বিচারক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেন। তিনি দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতিকে মূল পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করেন।
প্রস্তুতির শুরুতে তিনি পোমোডোরো টেকনিকের মতো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বেছে নেন। এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট সময় মনোযোগ দিয়ে পড়া এবং ছোট বিরতি নেওয়ার অনুশীলন করা হয়। স্বপ্ন পূরণে প্রতিষ্ঠান কোনো বাধা নয়, এমন উদাহরণও দেখা গেছে।
একজন প্রার্থী ২০২৩ সাল থেকে বাসায় বসে বিজেএস-এর প্রস্তুতি নিয়েছেন। ভাইভা প্রস্তুতির জন্য মূলত প্রিলিমিনারি ও রিটেনের পড়াগুলোই তিনি পুনরায় গভীরভাবে রিভিশন দেন। বিসিএস নিয়ে অনেকের স্বপ্নের শুরু ক্যাডেট কলেজ জীবন থেকে হয়, যেমন একজন প্রার্থী প্রথমদিকে সেনাবাহিনীতে যেতে চেয়েছিলেন।



মতামত (0)