পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা জোটকে একটি প্রতিরোধমূলক সামরিক চুক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছে ইসলামাবাদ। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এই সামরিক জোটের পরিধি বা এর সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান ইসলামাবাদে এক সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, প্রাথমিকভাবে প্রতিরোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই প্রতিরক্ষা জোট গঠন করা হয়েছে।
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে সাজ্জাদ হায়দার খান বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে তাদের বিবেচনায় নেই। তিনি জোর দেন যে, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ককে আগে নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে হবে।
পাকিস্তানের এই কর্মকর্তা আরও জানান, জোটের ভিত মজবুত হওয়ার পরই কেবল একই লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি পোষণকারী যেকোনো দেশের জন্য এই চুক্তির দ্বার উন্মুক্ত করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, তিন সদস্যদেশ যৌথ কাঠামোর আওতায় বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
ভবিষ্যতে সদস্যসংখ্যা বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে উপযুক্ত সময়েই দেশগুলো সিদ্ধান্ত নেবে বলে মুখপাত্র জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এই মুহূর্তে মক্কা চুক্তির সম্প্রসারণ নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনা হচ্ছে না।
পরবর্তী বৈঠকগুলোর সময়সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে সাজ্জাদ হায়দার উল্লেখ করেন। তিনি আশ্বাস দেন, এ সংক্রান্ত সব তথ্য যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে।



মতামত (0)