খেলাধুলা

পাসপোর্ট নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরকে মিথ্যা বললেন রাজাউল্লাহ

পাসপোর্ট নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরকে মিথ্যা বললেন রাজাউল্লাহ
পাসপোর্ট নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরকে মিথ্যা বললেন রাজাউল্লাহ
পাকিস্তানের ক্রিকেটার রাজাউল্লাহ তার পাসপোর্ট নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরকে মিথ্যা বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, এক বছর আগেই তার পাসপোর্ট তৈরি করা হয়েছিল।

পাকিস্তানের ক্রিকেটার রাজাউল্লাহ তার পাসপোর্ট নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে অভিহিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং গণমাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়েছিল যে ইংল্যান্ড সফরে সুযোগ পাওয়ার সময় তার পাসপোর্ট ছিল না। শেষ মুহূর্তে পাসপোর্ট তৈরি করেই তাকে ইংল্যান্ড পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছিল।

গতকাল এজবাস্টন টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে রাজাউল্লাহ এই বিষয়ে স্পষ্টীকরণ দেন। তিনি জানান, পাসপোর্ট নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরটি পুরোপুরি ভুয়া। তিনি এক বছর আগেই তার পাসপোর্ট তৈরি করেছিলেন।

রাজাউল্লাহ বলেন, "পাসপোর্ট নিয়ে যে খবর বেরিয়েছে, সেটা ভুয়া। আমি এক বছর আগেই পাসপোর্ট করেছি।" তার এই মন্তব্য ছড়িয়ে পড়া গুজবে পানি ঢেলে দেয়।

সম্প্রতি রাজাউল্লাহ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এজবাস্টন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৩ বলে ৮১ রানের একটি ঝড়ো ইনিংস খেলেন। এই ইনিংসের পর তার নামটি ক্রিকেট মহলে পরিচিত হয়ে ওঠে। তার এই ৮১ রানের ইনিংসে তিনি ৯টি ছক্কা হাঁকান।

রাজাউল্লাহ যখন আউট হন, তখন পাকিস্তানের ড্রেসিংরুম এবং এজবাস্টনের গ্যালারি উঠে দাঁড়িয়ে তাকে সম্মান জানায়। তার এই ইনিংসের মাধ্যমেই পাকিস্তান ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কা থেকে ঘুরে দাঁড়ায়। দলটি শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের সামনে চতুর্থ ইনিংসে লড়াই করার মতো একটি লক্ষ্য দিতে সক্ষম হয়।

ব্যাটিংয়ের সময় তিনি পুরোটা সময়ই উপভোগ করেছেন বলে জানান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "মানুষ দাঁড়িয়ে আমার জন্য হাততালি দিচ্ছে, পুরো ব্যাপারটা আমি উপভোগ করেছি। আমি জীবন উপভোগ করতে পছন্দ করি এবং মুহূর্তটি উপভোগ করছিলাম।"

অভিষেক ম্যাচ এবং এজবাস্টনের কঠিন পরিস্থিতিতেও রাজাউল্লাহ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। ইংল্যান্ডের পেসার জফরা আর্চার, গাস অ্যাটকিনসন এবং জশ টাং তাকে নিয়মিত শর্ট বল দিচ্ছিলেন। তবে রাজাউল্লাহ শর্ট বলের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক কৌশল গ্রহণ করেন।

রাজাউল্লাহ জানান, তিনি কোন বলগুলোতে স্লগ করবেন তা বেছে নিচ্ছিলেন এবং সব বলই তার নাগালের মধ্যে মনে হচ্ছিল। তিনি বলেন, "আমি যতটা সম্ভব টেনে লম্বা করতে চেয়েছিলাম। পেস নিয়ে আমি ভয় পাইনি। হার্ড লেংথে পড়া আর্চারের বলগুলো শাস্তি দিতে চেয়েছিলাম। দেশের হয়ে খেললে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি শুধু উপভোগ করছিলাম।"

তিনি আরও যোগ করেন, "আমার শর্ট বল সবচেয়ে পছন্দের। আমি শুধু নিজের ওপর বিশ্বাস রেখেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম, যদি ৫০টি বল খেলতে পারি, তাহলে ইতিবাচক ফল পাব। আর সৌভাগ্যক্রমে সেটাই হয়েছে।" প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ওপেনার হিসেবে সেঞ্চুরির অভিজ্ঞতা থাকলেও এটি তার অভিষেক টেস্টে ভিন্ন এক চ্যালেঞ্জ ছিল।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...