পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম গতকাল শুক্রবার নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার হাসুরা মৌজায় এক বৃহৎ বনায়ন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন। তিনি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবুজায়নকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন। সবুজায়ন বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বনায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই বৃহৎ বনায়ন কর্মসূচির আওতায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ স্ট্রিপ বাগানে ১৫ প্রজাতির প্রায় ২০ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। ক্রসড্রাম থেকে বেলট্রি মৌজার রাজ্জাক চেয়ারম্যানের জমি পর্যন্ত এবং ভায়া হাসুরা মৌজার শিবেরশ্বরের জমি থেকে পলাশের জমি পর্যন্ত খাড়ির উভয় পাড়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে পরিকল্পিত বনায়ন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।
বিশেষ করে খাড়ি, সড়ক ও অন্যান্য উন্মুক্ত স্থানের পাশে বৃক্ষরোপণ পরিবেশের উন্নয়নের পাশাপাশি মাটির ক্ষয় রোধ এবং জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল সংরক্ষণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণে বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। রোপণ করা চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
নওগাঁর এই বনায়ন কার্যক্রম স্থানীয় পরিবেশের উন্নয়ন, সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমানোরও আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর গত মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, একটি পূর্বাভাস দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে চার থেকে ছয়টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, এসব লঘুচাপের মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।



মতামত (0)