অর্থনীতিশেয়ারবাজারে অস্থিরতা, দরপতন ও লেনদেন হ্রাস; ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত
শেয়ারবাজারে অস্থিরতা, দরপতন ও লেনদেন হ্রাস; ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত
দেশের শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন, বাজার মূলধন হ্রাস এবং লেনদেন তলানিতে ঠেকেছে। তবে সম্প্রতি বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর এবং লাভের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
দেশের শেয়ারবাজারে টানা দরপতন এবং বাজার মূলধনে ব্যাপক হ্রাস দেখা গেছে। এই পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজার অস্থিরতা ও লেনদেন হ্রাসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক ঢালাও দরপতনে বাজার মূলধন ১৮,০০০ কোটি টাকা কমে গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন এক দফায় ৫,০০০ কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে। গত এক সপ্তাহে ডিএসইতে বাজার মূলধন প্রায় ৮,০০০ কোটি টাকা কমেছে। দেশের শেয়ারবাজার টানা দরপতনের বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে।
পুঁজিবাজারে লেনদেন কমে তলানিতে ঠেকেছে। ডিএসইতে গত চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন রেকর্ড করা হয়েছে। সাপ্তাহিক গড় লেনদেন ২২ শতাংশ কমেছে।
বাজারের সূচকে পতন দেখা গেছে এবং লেনদেনও কমেছে। কিছু ক্ষেত্রে সূচক বাড়লেও লেনদেন তলানিতেই ছিল। এমনকি সূচকে বড় উত্থান দেখা গেলেও লেনদেন আরও তলানিতে পৌঁছায়।
ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা এই পরিস্থিতিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। পুঁজিবাজারে পাঁচ ব্যাংকের লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে। কোনো শেয়ারের দর ৫০ শতাংশ কমলেই ‘ফোর্স সেল’ কার্যকর হচ্ছে।
তবে টানা সাত দিন পতনের পর পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে কিছুটা চাঙ্গা ভাব লক্ষ্য করা গেছে। পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থানও দেখা গেছে।
বর্তমানে শেয়ারবাজার লাভের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বাজার থেকে কিছু শুভ সংকেত পাওয়া যাচ্ছে, যা সূচকের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা দেখাচ্ছে। ইতিহাসে এমন নজিরও রয়েছে।
মতামত (0)