সরকার নতুন করে তিন ক্যাটাগরিতে মোট ৯০ জন প্রবাসীকে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির (সিআইপি) মর্যাদা দিতে যাচ্ছে। এর মধ্যে বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী হিসেবে সর্বোচ্চ ৭৫ জন সিআইপি নির্বাচিত হবেন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা সিআইপি (অনাবাসী বাংলাদেশি) নির্বাচনের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এর আগে গত ৩০ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের প্রবাসী কল্যাণ ভবন থেকে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল।
'বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (অনিবাসী বাংলাদেশি) নির্বাচন নীতিমালা, ২০১৮' অনুযায়ী ২০২৭ সালের সিআইপি নির্বাচনের জন্য আবেদন নেওয়া হচ্ছে। বিদেশে বসবাসরত যোগ্য বাংলাদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে অনলাইনে এই আবেদন গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ৯০ জন অনাবাসী বাংলাদেশিকে তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে সিআইপি হিসেবে নির্বাচন করা হবে। এই স্বীকৃতি প্রবাসীদের বিনিয়োগ, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো এবং বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে অবদানের জন্য দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের শিল্পক্ষেত্রে সরাসরি বিনিয়োগকারী ক্যাটাগরিতে এ বছর সর্বোচ্চ ৫ জন নির্বাচিত হবেন। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে দেশের শিল্পখাতে মূলধন হিসেবে সর্বনিম্ন ৩ লাখ মার্কিন ডলার বা তার বেশি সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সরাসরি বিনিয়োগকারীরা এই ক্যাটাগরির জন্য বিবেচিত হবেন।
বাংলাদেশে বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী হিসেবে সর্বোচ্চ ৭৫ জন নির্বাচিত হবেন। এর জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে অন্তত ১ লাখ ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে বাংলাদেশে পাঠাতে হবে। এটি রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রবাসীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেবে।
বিদেশে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী হিসেবে সর্বোচ্চ ১০ জন নির্বাচিত হবেন। এক্ষেত্রে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ন্যূনতম ৩ লাখ ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে।



মতামত (0)