শিক্ষাববিতে কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি শিক্ষার্থীদের, অফিসে তালা
ববিতে কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি শিক্ষার্থীদের, অফিসে তালা
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হককে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে তার অপসারণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সেশনজট ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে তারা আজ রোববার চেয়ারম্যানের কক্ষ ও অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হককে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে তীব্র সেশনজট ও সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা চলছে।
শিক্ষার্থীরা আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চেয়ারম্যানের কক্ষ, শ্রেণিকক্ষ ও অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। এরপর তারা ভিসির কার্যালয়ের সামনে ব্যানার টাঙিয়ে অবস্থান নেন এবং চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি করেন। সেশনজট নিরসনে চেয়ারম্যান পূর্বে লিখিত আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি বলে তাদের অভিযোগ।
শিক্ষার্থীরা আরও জানান, প্রতি বছর ১২০০ টাকা করে উন্নয়ন ফি নেওয়া হলেও বিগত ১০ বছরে শ্রেণিকক্ষে একটি পর্দা লাগানো ছাড়া দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। শিক্ষা কার্যক্রমে পক্ষপাতিত্ব এবং শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে উদাসীনতার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী কাজী মনোয়ার বলেন, এর আগেও সেশনজট কাটানোর লিখিত আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি জানান, আজ প্রক্টরের মাধ্যমে ভিসি স্যারের সাথে মুঠোফোনে কথা হয়েছে। ভিসি স্যার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের সাথে বসবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।
কাজী মনোয়ার আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মূল দাবি হলো চেয়ারম্যান স্যারকে বিভাগ থেকে অপসারণ করতে হবে। আরেক শিক্ষার্থী তাহসিন বলেন, বহুবার যোগাযোগ করেও তারা কোনো ফলপ্রসূ সমাধান পাননি। তিনি জানান, তাদের একটাই দাবি, চেয়ারম্যান যেন সসম্মানে বিভাগ থেকে সরে দাঁড়ান।
তাহসিন আরও উল্লেখ করেন, তাদের প্রভাষকরা আন্তরিক হওয়া সত্ত্বেও এই প্রশাসনিক স্থবিরতার কারণে নিরুপায় হয়ে আছেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মেহদী হাসান সোহাগ জানান, শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হক সকল অভিযোগের বিষয়ে বলেছেন, মূলত শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষক সঙ্কটের কারণেই এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। একই সাথে তিনি শিক্ষার্থীদের এমন ভয়াবহ পন্থা অবলম্বন না করার আহ্বান জানান।
মতামত (0)