প্রযুক্তি

এআইয়ের নতুন নাম ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’, নিয়ন্ত্রণে চুক্তি করলেন নির্বাহীরা

এআইয়ের নতুন নাম ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’, নিয়ন্ত্রণে চুক্তি করলেন নির্বাহীরা
এআইয়ের নতুন নাম ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’, নিয়ন্ত্রণে চুক্তি করলেন নির্বাহীরা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে শীর্ষ প্রযুক্তি নির্বাহীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। একই সঙ্গে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম পরিবর্তন করে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ রাখা হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে বৈঠক করেছেন প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ নির্বাহীরা। বৈঠক শেষে ট্রাম্প জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নির্বাহীরা একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এই চুক্তিটিকে তিনি প্রযুক্তিটির দ্রুত অগ্রগতি কমানোর একটি ‘নৈতিক বাধ্যবাধকতার’ অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ওভাল অফিসের বাইরে বিশ্বের ক্ষমতাধর প্রযুক্তি কর্তাদের পাশে নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) নাম আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবর্তন করে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা অতি বুদ্ধিমত্তা (এসআই) রাখা হবে। তিনি এর কারণ হিসেবে বলেন, ‘এটি কৃত্রিম নয়।’

বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা পর ট্রাম্পের দপ্তর থেকে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করা হয়। এই আদেশে বলা হয়েছে, ফেডারেল সরকারকে এখন থেকে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স বা এসআই’ শব্দগুলো ব্যবহার করতে হবে। প্রযুক্তিটির সম্ভাবনা এবং দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতাকে বোঝাতে এই শব্দটি বেশি মানানসই।

বৈঠকে এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেনসেন হুয়াং, ওপেনএআইয়ের প্রেসিডেন্ট গ্রেগ ব্রকম্যান এবং অ্যানথ্রোপিকের সিইও দারিও আমোদেইসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নির্বাহী উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্প জানান, এআই কোম্পানিগুলো নিজেরাই নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করবে। তারা যে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, সেটি মানতে নৈতিকভাবে বাধ্য থাকলেও আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই।

‘হোয়াইট হাউস অ্যাকর্ড’ নামে ওই চুক্তির নথিতে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতের পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজন হলে এসব পদক্ষেপকে আইনি রূপ দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...