অর্থনীতিএক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ ফেলে যাওয়া বাসের চালকসহ ৩ জন গ্রেপ্তার
এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ ফেলে যাওয়া বাসের চালকসহ ৩ জন গ্রেপ্তার
বনানী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপে মুখ আটকানো লাশ উদ্ধারের ঘটনায় বাসের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জমি বিক্রির টাকা নিয়ে ফেরার পথে ওই ব্যক্তিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
রাজধানীর বনানী এলাকায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বাসের চালক সোহেল রানাসহ (৪০) বাসের সুপারভাইজার সাজু ও হেলপার মনির রয়েছেন। শনিবার এই তথ্য জানানো হয়।
গত শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর সকাল নয়টার দিকে বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তির মুখ স্কচটেপ দিয়ে আটকানো ছিল। পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডার থেকে তার পরিচয় ইসমাইল হোসেন হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
ইসমাইল হোসেন জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ইসমাইল জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন। পথে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এক্সপ্রেসওয়ের ওপর লাশ ফেলে দেওয়া হয়।
এই ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়াতদন্ত শুরু হয়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বাসচালক সোহেল রানাকে হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
পরে বনানী থানার আওতাধীন মহাখালী এলাকার ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালের সামনে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে বাসটির সুপারভাইজার সাজু (২৮) ও হেলপার মনিরকে (১৮) গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ‘রাজ ক্লাসিক’ বাসটিও জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত সোহেল রানাকে বনানী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্য দুই আসামির বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
মতামত (0)