‘ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল অ্যাডমিশন ফেয়ার ২০২৬’-এর অংশীদারদের সঙ্গে আজ একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের একটি গণমাধ্যম কার্যালয়ে এই সভা বসে। ব্রিটিশ কাউন্সিল, সিএইচএস এডুকেশন, প্রাইম ব্যাংক, ব্রাদার্স ফার্নিচারসহ মোট ১৭টি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সন্তানদের উপযুক্ত শিক্ষা প্রদানে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ভূমিকা তুলে ধরতে এই ফেয়ারের আয়োজন করা হয়েছিল। কোন স্কুল শিশুদের কীভাবে শিক্ষা দিচ্ছে এবং কোথায় তাদের ভালো ভবিষ্যৎ তৈরি হবে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের তথ্য দেওয়াই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য।
ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের যৌথ আয়োজনে ২৬ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত অনলাইনে প্রথমবারের মতো এই ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়। ১০ দিনব্যাপী অনলাইন আয়োজনের পাশাপাশি ২ মে রাজধানীর গুলশানের শুটিং ক্লাবে একদিনের অফলাইন আয়োজনও ছিল। এই ফেয়ারের ওয়েবসাইটে ১ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি ভিজিটর আসে এবং ৫৫০টির বেশি লিড ও রেজিস্ট্রেশন হয়। দিনব্যাপী অফলাইন আয়োজনেও আগ্রহী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়।
আজকের মতবিনিময় সভায় ফেয়ারের র্যাফল ড্রর তিন বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পৃষ্ঠপোষক এবং অংশীদার স্কুলগুলোর প্রতিনিধিদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল অ্যাডমিশন ফেয়ার নিয়ে একটি তথ্যচিত্র দেখানো হয়। এরপর ফেয়ারের সার্বিক বিষয় এবং ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর সঙ্গে যৌথ কার্যক্রম ও উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ সম্পর্কে ধারণা দেন আয়োজক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের চিফ ডিজিটাল বিজনেস অফিসার এ বি এম জাবেদ সুলতান।
এ বি এম জাবেদ সুলতান বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠান শুধু একটি পত্রিকা নয়, বছরজুড়ে নানা কার্যক্রম ও উদ্যোগ পরিচালনা করে। বাংলা মাধ্যমের স্কুলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা থাকলেও, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর সঙ্গে এই সম্পর্ক আরও বাড়াতে চান তারা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অনেক অভিভাবকের কাছে সন্তানের জন্য উপযুক্ত ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল নির্বাচন করা এখনো একটি চ্যালেঞ্জ। এই ফেয়ারের মাধ্যমে একই প্ল্যাটফর্মে দেশের সেরা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সবার সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভবিষ্যতেও এই আয়োজন নিয়মিতভাবে করতে চান তারা।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর তাহনী ইয়াসমিন তার বক্তব্যে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যের কথা জানান। তিনি বলেন, আয়োজক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব ছাড়া এতগুলো স্কুলকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা সম্ভব হতো না। তিনি আশা করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য আরও কার্যকর সুযোগ তৈরি করবে।



মতামত (0)