শিক্ষানিয়োগপত্রের দাবিতে শাহবাগে প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিতদের অবস্থান
নিয়োগপত্রের দাবিতে শাহবাগে প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিতদের অবস্থান
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা আজ রবিবার নিয়োগপত্রের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন। তারা দ্রুত নিয়োগপত্র জারির দাবি জানিয়েছেন।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা আজ রবিবার নিয়োগপত্রের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন। তারা মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানার সামনের সড়কে জড়ো হন। এই কর্মসূচি পালনের আগে প্রার্থীরা সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে একত্র হয়েছিলেন।
চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও যারা এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাদের দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবিতে এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হলেও বিভিন্ন জেলায় শত শত প্রার্থী তা পাননি। এমন পরিস্থিতিতে তাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।
‘চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক-২০২৫’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম জানিয়েছে, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশনে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৫ শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি। ‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’ নামের আরেকটি প্ল্যাটফর্মও প্রায় ১৫ শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু না হওয়ার একই দাবি করেছে। তারা বাদ পড়ার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনসমক্ষে প্রকাশসহ মোট পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে।
এই দাবিগুলো গত শুক্রবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছিল। আন্দোলনকারীরা তাদের নিয়োগপত্র দ্রুত ইস্যু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা তাদের অধিকার আদায়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পার্বত্য তিন জেলা বাদে আয়োজিত ওই পরীক্ষায় মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়।
সেই ফলাফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছিল। একই সঙ্গে জেলা অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের একটি বিস্তারিত তালিকাও প্রকাশ করা হয়। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় এসব প্রার্থীরা আজ আন্দোলনে নেমেছেন।
মতামত (0)