শিক্ষা

ইবির সাদ্দাম হলের এক কক্ষের তিন বন্ধু সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত

ইবির সাদ্দাম হলের এক কক্ষের তিন বন্ধু সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত
ইবির সাদ্দাম হলের এক কক্ষের তিন বন্ধু সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হলের একই কক্ষের তিন বন্ধু বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তারা সবাই আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হলের একই কক্ষের তিন বন্ধু বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। তারা সবাই সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এই তিন বন্ধু আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

তাদের মধ্যে দুজন ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় এবং একজন ১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় তারা তিনজনই সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

গতকাল বুধবার বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন (বিজেএসসি) সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে এই ফল প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে কমিশনের ওয়েবসাইটেও ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সহকারী জজ পদে মোট ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

১৮তম বিজেএসে সুপারিশপ্রাপ্ত দুই বন্ধু হলেন আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের সাকির আলম ও আনোয়ার হোসাইন। এর আগে, ১৬তম বিজেএসে সুপারিশপ্রাপ্ত আইর হোসাইনও একই বিভাগ ও শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

সুপারিশপ্রাপ্ত সিভিল জজ শাকির আলম বলেন, "প্রথমেই মহান আল্লাহ তা’আলার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা যে, তিনি আমাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন। টানা ২ বার ব্যর্থ হওয়ার পরও হাল ছাড়িনি। তৃতীয়বারের চেষ্টায় উত্তীর্ণ হয়েছি।" তিনি আরও বলেন, "কুরআনের সেই আয়াত মনে পড়ে যায় যে, শিগ্‌গিরই তোমার রব তোমাকে এত বেশি দিবেন যে, তুমি খুশি হয়ে যাবে।"

শাকির আলম জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই তার ইচ্ছে ছিল একদিন বিচারক হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। পরিবার ও সমাজের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করতে অবদান আছে। পাশাপাশি উৎসাহিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বড়ো ভাই-আপুদের সুপারিশপ্রাপ্ত হতে দেখে। তিনি বলেন, "আমার সবচেয়ে বড় ভালো লাগা সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর রুম থেকে আমরা তিনজনই জজ হয়েছি।"

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...