বিনোদন

পাটকাঠিতে ফরিদপুরের কৃষকের বাড়তি আয়

পাটকাঠিতে ফরিদপুরের কৃষকের বাড়তি আয়
পাটকাঠিতে ফরিদপুরের কৃষকের বাড়তি আয়
ফরিদপুর জেলায় পাটের আঁশ ছাড়ানোর পর প্রাপ্ত পাটকাঠি এখন কৃষকদের বাড়তি আয়ের উৎস। এটি পার্টিকেল বোর্ড, চারকোল ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ফরিদপুর জেলা পাট উৎপাদনের জন্য সুপরিচিত। পাটের আঁশ ছাড়ানোর প্রক্রিয়ার পর পাটকাঠি পাওয়া যায়। এই পাটকাঠি একসময় কৃষকদের কাছে তেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল না, কিন্তু বর্তমানে এটি দেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

পাটকাঠি এখন কৃষকদের আয়ের অন্যতম উৎস হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। প্রযুক্তির উন্নতির কারণে এই পাটকাঠি ক্রমশ একটি অর্থকরী পণ্যে রূপান্তরিত হচ্ছে। পার্টিকেল বোর্ড এবং চারকোল কারখানায় পাটকাঠির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

গ্রামের নারীরা সংসারের বাড়তি আয়ের জন্য পাটকাঠি সংগ্রহ করেন। শুকনো পাটকাঠি এখন বেশ চড়া দামে বিক্রি হয়। রান্নার জ্বালানি হিসেবে, পানের বরজ তৈরি করতে, পার্টিকেল বোর্ড ও ঘরের বেড়া তৈরিতে পাটকাঠি ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকেরা বিলের মধ্যে রাখা পাটকাঠি নৌকায় তোলেন। বিলের পানিতে ভাসিয়ে পাটকাঠি পাড়ে নিয়ে আসা হয়। শুকনো পাটকাঠি নৌকায় করে অন্যত্র নিয়ে যেতে দেখা যায়।

বিলের মধ্যে মাচায় পাটকাঠি শুকানো হয়। অনেক কৃষক দম্পতি বাড়ির উঠানে মাচা তৈরি করে পাটকাঠি সংরক্ষণ করেন। একজন তরুণী আঁটি বাঁধা পাটকাঠি স্তূপ করে রাখেন।

গৃহবধূরা শুকনো পাটকাঠি সংগ্রহ করেন। কৃষকেরা শুকনো পাটকাঠি বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ভ্যানে তোলেন। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাটকাঠি কৃষকের বাড়তি আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...