জনপ্রিয় ঢালিউড অভিনেতা সালমান শাহর প্রতি আগ্রহের ঢেউ এখনও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেখা যায়। তার মৃত্যুর দীর্ঘ তিন দশক পেরিয়ে গেলেও, তার জীবন ও কর্ম নিয়ে কৌতূহল কমেনি। বিশেষ করে যারা তাকে সরাসরি দেখার সুযোগ পাননি, তাদের মধ্যে এই আগ্রহ বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়।
সালমান শাহর স্বল্প সময়ের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার ছিল অত্যন্ত সফল ও বর্ণাঢ্য। তার আকস্মিক এবং রহস্যজনক মৃত্যু এখনও অনেকের মনে প্রশ্ন জাগায়। এই দুটি বিষয়ই তাকে নতুন প্রজন্মের কাছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে, যা তার জনপ্রিয়তার স্থায়ীত্ব প্রমাণ করে।
ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহমিদা জামান ইষ্টি এমনই একজন তরুণী। তিনি জানান, তার বাবা-মা দুজনেই ছিলেন প্রয়াত এই অভিনেতার ভীষণ ভক্ত। ছোটবেলা থেকেই পরিবারে সালমান শাহকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে তিনি তার সম্পর্কে জানতে পারেন।
ফাহমিদা আরও বলেন, চলচ্চিত্র জগতে সালমান শাহর অল্প সময়ের মধ্যে যে অসাধারণ সাফল্য এসেছিল, তা তাকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছে। এরপর তার অকালপ্রয়াণ এবং সেই মৃত্যু ঘিরে তৈরি হওয়া রহস্য তাকে আরও বেশি আগ্রহী করে তোলে। এই বিষয়গুলোই তাকে সালমান শাহর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করেছে।
মিরপুরের বাসিন্দা মিজ ইষ্টির জন্ম হয়েছিল সালমান শাহর পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার প্রায় অর্ধ যুগ পরে। অর্থাৎ, ১৯৯০-এর দশকে এই জনপ্রিয় অভিনেতার জীবনাবসানের অনেক পরে তার জন্ম। ফলে সরাসরি তাকে দেখার বা তার অভিনয় উপভোগ করার সুযোগ তার হয়নি।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সালমান শাহকে নিজের চোখে দেখতে না পারা তার জীবনের একটি বড় আফসোসের জায়গা। ইষ্টি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, যদি সালমান শাহ বেঁচে থাকতেন, তবে তিনি অবশ্যই তার সঙ্গে গিয়ে দেখা করার চেষ্টা করতেন। তার প্রতি এই গভীর ভালো লাগা তাকে অবাক করে।
অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাফিছা নূজহাতও প্রয়াত এই নায়কের প্রতি বিশেষ ভালো লাগা অনুভব করেন। তার এই ভালো লাগার কারণ কিছুটা ভিন্ন। নাফিছা উল্লেখ করেন, সালমান শাহ বাংলা সিনেমার অন্যান্য নায়ক-নায়িকাদের মতো গতানুগতিক ছিলেন না।



মতামত (0)