অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার স্টিভ স্মিথ ২০১৮ সালের ‘স্যান্ডপেপার’ কেলেঙ্কারির স্মৃতি এখনও বহন করছেন। সেই ঘটনার পর তার কান্নাভেজা সংবাদ সম্মেলনের দৃশ্যগুলো তার মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। আট বছর পেরিয়ে গেলেও ক্যামেরার শাটারের শব্দ এবং ফ্ল্যাশ তাকে আজও সেই দুঃসহ পরিস্থিতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
আট বছর আগে ঘটে যাওয়া সেই বল টেম্পারিং কাণ্ডের পর এবারই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট খেলতে যাচ্ছেন স্মিথ। অস্ট্রেলিয়ার একটি ক্রীড়া সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, সেই ঘটনার প্রভাব এখনও তার মন থেকে পুরোপুরি কাটেনি।
স্মিথ আবেগঘন এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ক্যামেরার খুব একটা ভক্ত নন। তিনি বলেছেন, ক্যামেরার আশপাশে থাকলে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং এটিকে তার জীবনের একটি যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখেছেন। ক্যামেরার ফ্ল্যাশ শুনলে তিনি কোনোভাবে সেই সময়টায় আবার ফিরে যান বলেও জানান।
কেপটাউনের সেই ঘটনা স্মিথের ক্যারিয়ারের গতিপথ সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল। এর ফলে তিনি অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কত্ব হারান এবং ক্রিকেট থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন। অস্ট্রেলিয়ার সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারও একই শাস্তি পেয়েছিলেন, আর তাদের সতীর্থ ক্যামেরন ব্যানক্রফটকে নয় মাসের নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হয়েছিল।
তবে স্মিথের কাছে শাস্তির চেয়েও সে সময়ের মানসিক চাপ ছিল অনেক বেশি। বিশেষ করে জোহানেসবার্গ বিমানবন্দরের সেই মুহূর্তটি তার মনে বিশেষভাবে দাগ কেটে আছে।
স্মিথ বলেছেন, যখন জেমস সাদারল্যান্ড তাকে এক বছরের নিষেধাজ্ঞার কথা জানান, তখন পরের ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়। এরপর জোহানেসবার্গ বিমানবন্দরে তাকে ঘিরে ধরার ঘটনা এবং দেশে ফিরে সেই সংবাদ সম্মেলন—সবকিছুই তার জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল।



মতামত (0)