বিনোদনবাদশাহ ও ইশা রিখির বিচ্ছেদ, ৫ মাসেই শেষ দাম্পত্য জীবন
বাদশাহ ও ইশা রিখির বিচ্ছেদ, ৫ মাসেই শেষ দাম্পত্য জীবন
ভারতীয় র্যাপার বাদশাহ এবং পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই তাদের বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তারা পারস্পরিক সম্মতিতে আলাদা হওয়ার কথা জানান।
ভারতীয় র্যাপার আদিত্য প্রতীক সিং সিসোডিয়া, যিনি বাদশাহ নামে পরিচিত, এবং পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি তাদের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন। বিয়ের মাত্র পাঁচ মাস না যেতেই তারা এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। সোমবার নিজেদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এক বিবৃতির মাধ্যমে তারা বিচ্ছেদের খবরটি প্রকাশ করেন।
তাদের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "আমি এবং ইশা রিখি পারস্পরিক সম্মতিতে আলাদা হয়ে নিজ নিজ পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।" তারা আরও উল্লেখ করেন যে, "এ সিদ্ধান্তটি পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে এবং আমরা সবার কাছে অনুরোধ করছি, এ সময়ে যেন আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করা হয়।"
বাদশাহ এবং ইশা রিখি তাদের বিবৃতিতে আরও জানান, তারা চান না বিষয়টি নিয়ে আর কোনো জল্পনা-কল্পনা হোক। তারা উল্লেখ করেছেন, "এ বিষয়ে এটাই আমাদের একমাত্র বিবৃতি।" এই দম্পতি আন্তরিকভাবে অনুরোধ করেছেন যেন তাদের সম্পর্ক নিয়ে আর কোনো জল্পনা বা অনুমান না করা হয়।
২০২৬ সালের মার্চ মাসে তাদের বিয়ের খবর প্রথম প্রকাশ্যে আসে। বাদশাহ ও ইশা রিখি শুরু থেকেই তাদের সম্পর্ককে আড়ালে রেখেছিলেন। তাদের বিয়েও অনেকটা লোকচক্ষুর আড়ালেই সম্পন্ন হয়েছিল।
বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই জুটি প্রায় চার বছর ধরে একসঙ্গে ছিলেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। পরে ২০২৬ সালের জুন মাসে ইনস্টাগ্রামের একটি ‘আস্ক মি এনিথিং’ সেশনে ইশা নিজেই বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক করার পরও তারা জনসমক্ষে তাদের একসঙ্গে জীবনযাপন সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানাতে চাননি।
এটি বাদশাহর দ্বিতীয় বিবাহবিচ্ছেদ। এর আগে তিনি জেসমিন মাসিহকে বিয়ে করেছিলেন। ২০১২ সালে তাদের বিয়ে হয়। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে তাদের কন্যাসন্তান জেসেমি গ্রেস মাসিহ সিংয়ের জন্ম হয়।
এরপর ২০২০ সালে বাদশাহ এবং জেসমিন মাসিহ-এর বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়।
এদিকে, সোমবারই বাদশাহ তার প্রথম মারাঠি হিপ-হপ ট্র্যাক ‘চিমনা’ প্রকাশ করেন। এই ট্র্যাকটিতে দিব্যা কুমার এবং মারাঠি লোকশিল্পী নাগেশ মোরওয়েকরের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। গানটির প্রযোজনা ও সংগীত পরিচালনায় ছিলেন হিতেন।
মতামত (0)