জাতীয়চাঁদপুরে সিএনজি-প্রাইভেটকার-পিকআপের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২
চাঁদপুরে সিএনজি-প্রাইভেটকার-পিকআপের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চাঁদপুর
চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর উপজেলার মহামায়া সংলগ্ন মান্দারী কামাল মিজি বাড়ির সামনে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকার ও পিকআপের ত্রিমুখী সংঘর্ষে
গতকাল সন্ধ্যায় চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে এক মারাত্মক ত্রিমুখী সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং আরও দুজন আহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, একটি প্রাইভেটকার ও একটি পিকআপ জড়িত ছিল। ঘটনাটি সদর উপজেলার মহামায়া সংলগ্ন মান্দারী কামাল মিজি বাড়ির সামনে ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন সিএনজি যাত্রী মোহর আলী (৬০)। তিনি কচুয়া উপজেলার ফতেহপুর এলাকার মৃত ওমর আলীর ছেলে। অন্য নিহত ব্যক্তি হলেন সিএনজি চালক কবির মাল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চাঁদপুর থেকে যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা হাজীগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে সিএনজির সামনে থাকা একটি প্রাইভেটকার হঠাৎ করে জরুরি ব্রেক প্রয়োগ করে।
এতে পেছনের সিএনজিটি সজোরে প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের ফলে সিএনজিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজিটি বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপের সামনে গিয়ে পড়ে।
এই দ্বিতীয় সংঘর্ষের কারণে সিএনজি চালকসহ যাত্রীরা ছিটকে সড়কে পড়েন। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করেন।
আহতদের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এছাড়া গুরুতর আহত অন্য একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়েছিল। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। আহত অপর দুজন বর্তমানে হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতায় সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার ব্যবস্থা করেন।
পরে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পুলিশ দুর্ঘটনা কবলিত প্রাইভেটকার, সিএনজি অটোরিকশা ও পিকআপ জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফয়েজ আহমেদ গতকাল রাতে এই দুর্ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ত্রিমুখী সংঘর্ষে দুইজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মতামত (0)