মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকদের জন্য সম্প্রতি একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো সকল প্রধান শিক্ষককে তাদের ব্যক্তিগত তথ্যপত্র বা পিডিএসে হোয়াটসঅ্যাপ সুবিধাসংবলিত একটি সচল মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা নিশ্চিত করা। শিক্ষা প্রশাসনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং মাঠপর্যায়ে বিদ্যালয়গুলোর তদারকি প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত করতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং গত ২৫ আগস্ট এই নির্দেশনা সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। উইংয়ের উপপরিচালক স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টিকে অত্যন্ত জরুরি এবং অপরিহার্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারকে আরও বিস্তৃত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি বিশেষ ‘ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম’ অ্যাপ চালু রয়েছে। এই অত্যাধুনিক সিস্টেমটি হোয়াটসঅ্যাপ প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে মাঠপর্যায়ে বিদ্যালয়গুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রমের সরাসরি বা লাইভ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করে থাকে। এই ডিজিটাল তদারকি ব্যবস্থাটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তবে, অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে একটি উল্লেখযোগ্য সমস্যা ধরা পড়েছে, যা মাঠপর্যায়ের তদারকি কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে। দেখা গেছে, অধিকাংশ প্রধান শিক্ষকের ব্যক্তিগত তথ্যপত্র বা পিডিএসে যে মোবাইল নম্বর সংরক্ষিত আছে, তাতে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট সক্রিয় নেই। এই অসঙ্গতি ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে লাইভ তদারকি কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঠিক চিত্র পেতে সমস্যা তৈরি করছে।



মতামত (0)