দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সন্ধ্যায় শপথ নেন। নতুন মন্ত্রিসভায় মোট ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ১৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। ‘দ্য মিনিস্টার্স, মিনিস্টার্স অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টার্স (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্ট’ অনুযায়ী তাঁদের জন্য ১৩ ধরনের সুযোগ-সুবিধা নির্ধারিত আছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি গাড়ি, বাসভবন এবং চিকিৎসা খরচ।
একজন মন্ত্রীর মাসিক বেতন ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। প্রতিমন্ত্রীর মাসিক বেতন ৯২ হাজার টাকা এবং উপমন্ত্রীরা পান ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা। দায়িত্ব গ্রহণের পর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা সরকারি খরচে একটি সুসজ্জিত বাসভবন পান, যার জন্য কোনো ভাড়া দিতে হয় না।
যদি কোনো মন্ত্রী সরকারি বাসভবনে না থেকে নিজস্ব বা ভাড়া বাড়িতে থাকেন, তবে তিনি মাসিক ৮০ হাজার টাকা বাড়িভাড়া ভাতা পান। প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা এই ক্ষেত্রে মাসিক ৭০ হাজার টাকা করে পেয়ে থাকেন। এছাড়া, নিজ বাড়ি বা ভাড়া বাড়িতে বসবাস করলে সেই বাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বছরে তিন মাসের বাড়িভাড়ার সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়।
এলাকার মসজিদ, মন্দির উন্নয়ন এবং মানুষের দাতব্য কাজের জন্য একজন মন্ত্রীকে বছরে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রীরা এই খাতে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং উপমন্ত্রীরা ৫ লাখ টাকা পান। এই টাকার মধ্যে মন্ত্রী একজন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা দিতে পারেন। প্রতিমন্ত্রী ৩৫ হাজার টাকা এবং উপমন্ত্রী ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা দিতে পারেন। এই এলাকার উন্নয়ন তহবিলের অর্থের কোনো নিরীক্ষা হয় না।
মন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর দপ্তরে দেশি-বিদেশি অনেক অতিথি সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন। নির্বাচনী এলাকার মানুষও মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন। এসব অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য একজন মন্ত্রী মাসে ১০ হাজার টাকা পান। প্রতিমন্ত্রীরা এই খাতে ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং উপমন্ত্রীরা ৫ হাজার টাকা করে পান।


মতামত (0)