শিক্ষা

পার্ক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন মেলা

পার্ক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন মেলা
পার্ক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন মেলা
রাজধানীর পার্ক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে 'সায়েন্স অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬' অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন এবং শিক্ষার্থীরা উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শন করে।

রাজধানীর মুগদার মান্ডায় অবস্থিত পার্ক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাসে 'সায়েন্স অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬' অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার আয়োজিত এই বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন মেলায় রাজধানীর বিভিন্ন স্বনামধন্য ইংরেজি মাধ্যম ও বাংলা মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর সহস্রাধিক শিক্ষার্থী তাদের উদ্ভাবিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন প্রকল্প প্রদর্শন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রদর্শিত বিভিন্ন স্টল ও উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো ঘুরে দেখেন। পরবর্তীতে প্রতিমন্ত্রী বিজয়ী শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধানদের হাতে সম্মাননা মেডেল ও পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক ও উদ্ভাবনী চিন্তায় উৎসাহিত করার মাধ্যমেই একটি প্রযুক্তিনির্ভর, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব উদ্দিন খোকন। উদ্বোধনী সেশনে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন মতিউর রহমান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন আনিসুল হক।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বোর্ড অব গভর্ন্যান্সের সদস্য ও প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শাহাবুদ্দিন মোল্লা। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বসহ রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও সুধীজনেরা এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে পার্ক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মহসিন মজুমদার বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের সৃজনশীলতা ও সুপ্ত উদ্ভাবনী শক্তিকে বিকশিত করা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজ এই আয়োজন আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানমনস্ক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা জোগাবে।’

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...