জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ, পরিদর্শন বিমানবাহিনী সদর দপ্তর

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ, পরিদর্শন বিমানবাহিনী সদর দপ্তর
প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ, পরিদর্শন বিমানবাহিনী সদর দপ্তর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে সততা, মেধা ও পেশাগত দক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ নৌ ও বিমানবাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধন করেন এবং বিমানবাহিনীর সদর দপ্তর পরিদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে ওঠার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা, সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ দেন।

গতকাল রোববার ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ নৌ ও বিমানবাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধন করা হয়। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। এ সময় বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি ফটোসেশনে অংশ নেন।

সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। এছাড়াও সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন। তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

এরপর তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী এসিওসি’র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান অবলোকন করেন। তিনি চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণও দেখেন।

প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল প্রদর্শন করা হয়। এর মধ্যে ড্রোন, কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল উল্লেখযোগ্য।

প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন। নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান উপস্থিত ছিলেন। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...