জাতীয়

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিভারপুল ও আর্সেনালের জয়, ম্যাক অ্যালিস্টার ও ওডেগার্ডের গোল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিভারপুল ও আর্সেনালের জয়, ম্যাক অ্যালিস্টার ও ওডেগার্ডের গোল
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিভারপুল ও আর্সেনালের জয়, ম্যাক অ্যালিস্টার ও ওডেগার্ডের গোল
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিভারপুল আতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়েছে, যেখানে ম্যাক অ্যালিস্টার জয়সূচক গোল করেন। অন্যদিকে, আর্সেনাল নাপোলিকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছে, ওডেগার্ডের গোলে ২৯ পাসের অবদান ছিল।

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গতকাল রাতে দুটি ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল ও আর্সেনাল ন্যূনতম ব্যবধানে জয় পেয়েছে। লিভারপুল ঘরের মাঠে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়েছে। অন্যদিকে, আর্সেনাল নেপলসে নাপোলিকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছে।

লিভারপুলের জয়ে ব্যবধান গড়ে দেওয়া গোলটি এসেছে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের পা থেকে। গত পরশু তিনি ক্লাবের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন, কারণ তাকে নতুন চুক্তির কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। গতকাল রাতে তিনি তার হতাশা ভুলে মাঠের পারফরম্যান্সে এর জবাব দিলেন।

ম্যাক অ্যালিস্টারের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত রয়েছে। গত পরশু সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, "আমাকে জানানো হয়েছে ক্লাব আপাতত আমাকে নতুন চুক্তির কোনো প্রস্তাব দেওয়ার অবস্থায় নেই।" অ্যানফিল্ডে এই জয়ের মাধ্যমে তার কার্যকারিতা আবারও প্রমাণিত হলো।

ম্যাচের ১৭তম মিনিটে মার্কোস ইয়োরেন্তের গোলে প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল আতলেতিকো। ইয়োরেন্তে লিভারপুলের মাঠে তার গোল করার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন। অ্যানফিল্ডে শেষ তিন সফরে এটি তার পঞ্চম গোল।

২০২০ সালে কোভিড-১৯ লকডাউনের ঠিক আগে এই অ্যানফিল্ডেই জোড়া গোল করে ইয়োরেন্তে সে সময়ের চ্যাম্পিয়ন লিভারপুলকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করেছিলেন। তবে গতকাল রাতে পিছিয়ে পড়েও অলরেডরা দমে যায়নি।

ম্যাচের ৪০তম মিনিটে দমিনিক সোবোসলাইয়ের গোলে সমতায় ফেরে লিভারপুল। এরপর বিরতির ঠিক ৫ মিনিট পর আসে ম্যাক অ্যালিস্টারের সেই জয়সূচক গোল। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া একটি বুলেটগতির শটে তিনি দুর্দান্ত গোলটি করেন।

২০১৩ সালে লিভারপুলে যোগ দেওয়া এই বিশ্বজয়ী তারকা গোল করেই ঘরের দর্শকদের সামনে উল্লাসে মেতে ওঠেন। তার এই উদযাপন গত পরশুর সংবাদ সম্মেলনে শোনা বিষণ্ণ সুরের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল।

অন্যদিকে, নেপলসে গিয়ে আর্সেনাল অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের একক নৈপুণ্যে নাপোলির বিপক্ষে জয় নিয়ে ফিরেছে। ফিনিশিংয়ের চরম ব্যর্থতায় ম্যাচটি ড্রয়ের দিকেই গড়াচ্ছিল।

ওডেগার্ড ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক বাঁকানো শটে গোল করে গ্যালারিতে থাকা ১,৫০০ গানার সমর্থককে উল্লাসে মাতান। কমিউনিটি শিল্ডসহ চলতি মৌসুমে পাঁচ ম্যাচে এটি আর্সেনাল অধিনায়কের চতুর্থ গোল।

ওডেগার্ডের এই জয়সূচক গোলটি গড়ার নেপথ্যে ছিল টানা ২৯টি পাস। এটি অন্তত ২০০৩-০৪ মৌসুমের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আর্সেনালের কোনো গোলের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে বাসেলের বিপক্ষে লুকাস পেরেজের গোলের আগে ৩৩টি পাস হয়েছিল।

মিকেল আর্তেতার দল গত মৌসুমে ফাইনালে ওঠার পথে গ্রুপ পর্বের আটটি ম্যাচের প্রতিটিই জিতেছিল। এবারও ইতালির মাটিতে এই জয় দিয়ে তারা টুর্নামেন্টে দারুণ সূচনা করল। ওডেগার্ডের গোলের আগেই অবশ্য গানাররা নাপোলিকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেওয়ার অন্তত তিনটি সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেছিল।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...