অর্থনীতিএলসি ছাড়া পণ্য আমদানিতে মূল্যসীমা প্রত্যাহার
এলসি ছাড়া পণ্য আমদানিতে মূল্যসীমা প্রত্যাহার
নতুন আমদানি নীতি আদেশে রপ্তানিকারকের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে এলসি ছাড়া পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৫ লাখ ডলারের বার্ষিক সীমা তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন যেকোনো পরিমাণ পণ্য এভাবে আমদানি করা যাবে।
পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে রপ্তানিকারকের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে এতদিন যে মূল্যসীমা ছিল, তা নতুন নীতিমালায় প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতদিন ঋণপত্র (এলসি) খোলা ছাড়াই বছরে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করা যেত। নতুন নীতি কার্যকর হওয়ার ফলে এখন আর সেই বার্ষিক মূল্যসীমা থাকছে না।
শিল্প ও বাণিজ্যিক আমদানিকারকরা এখন ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে যেকোনো পরিমাণ পণ্য দেশে আনতে পারবেন। পণ্য আমদানিতে ব্যাংক নির্ভরতা বা ঋণপত্রের বাধ্যবাধকতা কমিয়ে আনা নতুন এই নীতিমালার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এর আগে ২০২১-২০২৪ মেয়াদের নীতিতে এলসি ছাড়া আমদানির ক্ষেত্রে পাঁচ লাখ ডলারের একটি বার্ষিক সীমা নির্ধারিত ছিল।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত সোমবার ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২৯’ জারি করেছে। এই আদেশটি ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। নতুন এই নির্দেশনায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আধুনিক চর্চাকে প্রাধান্য দিয়ে আমদানি প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এই নীতিতে আমদানি কার্যক্রমের বিভিন্ন সংজ্ঞা, প্রক্রিয়া এবং শর্তাবলি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো আমদানি পণ্যের উৎপত্তির দেশসংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে পণ্যের উৎস সম্পর্কে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যচুক্তির আওতায় সুবিধা নেওয়া সহজ করবে।
মতামত (0)