শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন গতকাল মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে অবহেলাকারীদের জবাবদিহির মুখোমুখি করার কথা বলেছেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে (আমাই) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। তিনি শিক্ষকদের সামনে প্রশ্ন রাখেন যে, হঠাৎ করে এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ পাওয়া তাদের মনে প্রশ্ন জাগায় কি না। তিনি এই প্রশ্ন তোলেন, "কেন?"
তিনি উল্লেখ করেন, যদি পাবলিক পরীক্ষা অ্যাক্ট, ১৯৮০-তে খাতা পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ না থাকত, তাহলে এই ৩ হাজার শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ থেকে বঞ্চিত হতো। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, খাতা মূল্যায়নে সমস্যা ছিল বলেই এসব শিক্ষার্থী প্রথম ধাপে জিপিএ-৫ থেকে বঞ্চিত হয়েছিল।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, এই ঘটনা থেকে একটি শিক্ষা নিতে হবে। পরীক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা জরুরি। যারা খাতা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করেননি, তাদের জবাবদিহির মুখোমুখি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু নম্বর দিয়ে চুপচাপ বসে থাকলে হবে না। আগে শুধু ট্যাবুলেশন শিটের যোগফল ঠিক আছে কি না, তা যাচাই করা হতো। কিন্তু খাতার ভেতরে পরীক্ষক সঠিকভাবে মূল্যায়ন করেছেন কি না, বা আন্ডারমার্কিং বা ওভারমার্কিং করেছেন কি না, তা যাচাইয়ের সুযোগ ছিল না।
পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ দেওয়ার পর অনেকে এর অপব্যবহারও করেছেন বলে মন্ত্রী জানান। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে তাকে বেশি সংখ্যক খাতা দেখতে হয়েছে।



মতামত (0)