অর্থনীতিমূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন
মন্ত্রিসভা ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে, যার ফলে দাখিলপত্র পেশের নিয়মে পরিবর্তন এসেছে।
মন্ত্রিসভা ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। মাঠ পর্যায়ে রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা আনতে এই সংশোধনী আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে গতকাল সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২২তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের উদ্যোগে এই খসড়াটি উপস্থাপন করা হয়েছিল। এটি ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর ধারা ৬৪ সংশোধনের লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।
এই সংশোধনী অনুমোদনের ফলে দাখিলপত্র পেশের বিধানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। এখন থেকে প্রত্যেক কর মেয়াদের জন্য মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করতে হবে। এর আগে বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী, প্রতি তিন কর মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করার নিয়ম ছিল।
খসড়ায় প্রধান সংশোধনীগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। দাখিলপত্র পেশের এই নতুন নিয়ম কর আদায় ব্যবস্থায় আরও শৃঙ্খলা আনবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও, দাখিলপত্র পেশের নির্ধারিত সময়ে সরকারি ছুটি থাকলে করণীয় বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি দাখিলপত্র পেশের ১৫তম দিনে কোনো সরকারি ছুটি থাকে, সেক্ষেত্রে তার পরবর্তী কার্যদিবসে দাখিলপত্র পেশ করতে হবে। এই বিধানটি করদাতাদের জন্য একটি ব্যবহারিক সমাধান প্রদান করে।
নির্দিষ্ট কিছু সংস্থা ও ব্যক্তির জন্য দাখিলপত্র পেশের সময়সীমা কিছুটা বর্ধিত করা হয়েছে। যেকোনো সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ২০ দিনের মধ্যে তাদের দাখিলপত্র পেশ করার সুযোগ পাবেন। এই ব্যবস্থা তাদের জন্য অতিরিক্ত সময় নিশ্চিত করবে।
মতামত (0)