সারাদেশ

ফরিদপুরে কিশোর সাকিব হত্যা রহস্য উদঘাটন, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে কিশোর সাকিব হত্যা রহস্য উদঘাটন, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
ফরিদপুরে কিশোর সাকিব হত্যা রহস্য উদঘাটন, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
ফরিদপুরে কিশোর সাকিবুল ইসলাম ওরফে সাকিব হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ইমন হোসেন গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং ছিনতাই হওয়া অটোভ্যানটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

ফরিদপুরের কিশোর সাকিবুল ইসলাম ওরফে সাকিব হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি ইমন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একইসঙ্গে ছিনতাই হওয়া ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার দুপুরে ইমন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ইমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অটোভ্যানটি উদ্ধার করা হয়। ইমন হোসেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈর গ্রামের শাহ আলমের ছেলে। তিনি বর্তমানে ফরিদপুর উপজেলার দিঘুলিয়া গ্রামে বসবাস করেন।

নিহত সাকিবুল ইসলাম (১৩) ফরিদপুর উপজেলার রতনপুর গ্রামের হারিছ প্রামাণিকের ছেলে। গত রবিবার বিকেলে ফরিদপুর উপজেলার ডেমরা ইউনিয়নের মাজাট গ্রামে বড়াল নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের মাথায় গুরুতর আঘাত, খুলি ভাঙা এবং নাক-মুখে রক্তের দাগ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সাকিবুল প্রতিদিনের মতো গত রবিবার সকালেও অটোভ্যান নিয়ে যাত্রী পরিবহনের জন্য বাড়ি থেকে বের হন। সে ডেমরা-ফরিদপুর রাস্তায় যাত্রী পরিবহন করতেন। ওইদিন দুপুর থেকে সাকিবের সঙ্গে তার পরিবারের কোনো যোগাযোগ ছিল না।

একপর্যায়ে মাজাট গ্রামের লোকজন গ্রামের উত্তরে বড়াল নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করার পর সেটি সাকিবুলের বলে নিশ্চিত হয়। এ সময় তার অটোভ্যানটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিহত সাকিবের বাবা হারিজ উদ্দিন অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা তার ছেলেকে হত্যা করে মরদেহ নদীর তীরে ফেলে রেখে অটোভ্যানটি নিয়ে পালিয়ে গেছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দিনই ফরিদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর ০৮।

মামলা হওয়ার পরপরই হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার ধানুয়াঘাটা গ্রাম থেকে সাকিবের অটোভ্যানটি উদ্ধার করা হয়।

ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম মাসুদ জানান, গ্রেপ্তার ইমনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...