সারাদেশ

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম: জামায়াত অকৃতজ্ঞ, খালেদা জিয়ার দেওয়া মন্ত্রিত্ব ভুলেছে

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম: জামায়াত অকৃতজ্ঞ, খালেদা জিয়ার দেওয়া মন্ত্রিত্ব ভুলেছে
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম: জামায়াত অকৃতজ্ঞ, খালেদা জিয়ার দেওয়া মন্ত্রিত্ব ভুলেছে
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, জামায়াত অকৃতজ্ঞ দল এবং তারা ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার দেওয়া মন্ত্রিত্বের কথা ভুলে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার বাঁশখালীতে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জামায়াতকে অকৃতজ্ঞ দল হিসেবে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রী করেছিলেন। এর মাধ্যমে তাদের ‘রাজাকারের তকমা’ দূর করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে জামায়াত এখন সেসব কথা ভুলে গেছে।

প্রতিমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচিত। অথচ সরকার গঠনের ছয় মাস না যেতেই তারা লংমার্চ করে সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছে।

আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান। তিনি দলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নিতে এবং জনগণের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। এবারের স্থানীয় ও উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি একক প্রার্থীকে সমর্থন দেবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। যারা এর বিরোধিতা করে বিদ্রোহী প্রার্থী হবে, তাদের বিরুদ্ধে দল ব্যবস্থা নেবে।

মীর শাহে আলম দাবি করেন, এনসিপি ও জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পুরোনো সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, ভারতে পলাতক নেতাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ থাকতে পারে। তাদের পুরোনো সম্পর্ক আবার জোড়া লাগতে পারে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, দেশে বর্তমানে তারা যে আন্দোলন করছে, তা আওয়ামী লীগকে সহায়তা করার শামিল।

১১ দলীয় জোটের নেতাদের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারা সংসদে এক কথা বললেও বাইরে আরেক কথা বলেন। তাদের নানারকম অভিনয় চলছে। তিনি এনসিপির নেতাদের বয়স কম উল্লেখ করে বলেন, তারা সম্মান দিয়ে রাজনৈতিক ভাষায় কথা বলেন না এবং তারেক রহমানকে নিয়ে বিশ্রী ভাষায় কথা বলেন।

মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপি কারও হুমকিকে পরোয়া করে না। গত নির্বাচনে যারা বিএনপির সঙ্গে বেঈমানি করেছে, দলে আর তাদের ঠাঁই হবে না। তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, যারা দুঃসময়ে দলের জন্য কাজ করেছেন, তারা ঠিকাদারিসহ বৈধ সবকিছু পাবেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত জুলাইয়ে ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়া উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বাঁশখালীতে প্রায় ১২ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। আজ বৃহস্পতিবার জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৫১০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...