ধর্ম

ধর্মীয় বিভিন্ন আচার ও বিধানের তাৎপর্য

পবিত্র আশুরা, রমজান, শবে বরাত ও ঈদে মিলাদুন্নবীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আচার এবং কোরবানি, জুমার দিনের ফজিলত ও আমল বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

পবিত্র ১০ই মহররম মুসলিম ইতিহাসে এক বিয়োগান্ত ঘটনার দিন হিসেবে পালিত হয়। এই দিনে কারবালার শোকাবহ ঘটনা ঘটেছিল, যা মুসলিম ইতিহাসে গভীর তাৎপর্য বহন করে। ১০ মহররম পবিত্র আশুরা হিসেবে প্রতি বছর স্মরণ করা হয়।

পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। এর ফলে পরদিন থেকে মাহে রমজান শুরু হয়। ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আগামীকাল রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে মাহে রমজান।

রমজান মাস সংযম সাধনার মাস হিসেবে বিবেচিত। এই মাসে আল্লাহ তাআলার অধিক নৈকট্য লাভের বিশেষ সুযোগ থাকে। রমজানের ফজিলত নিয়ে হাদিস ও কোরআনে গুরুত্বপূর্ণ বাণী উল্লেখ করা হয়েছে।

পবিত্র রমজান আল্লাহর পক্ষ হতে মুমিনদের জন্য এক বিশেষ উপহার। এই মাসে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য বিশেষ রহমত বর্ষণ করেন। রমজানে দোয়া কবুলের নির্দিষ্ট সময় রয়েছে।

সেহরীর সঙ্গে সুস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যকর খাবারের একটি সম্পর্ক রয়েছে। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় সিয়াম পালনের উদ্দেশ্যে শেষ রাতে পানাহার করাকে সাহরি বলে। সেহরী সামান্য কিছু দিয়েও সম্পন্ন করা যায়, যার মধ্যে বরকত নিহিত।

হিজরি শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত পবিত্র শবে বরাত হিসেবে পালিত হয়। এটি সৌভাগ্যের মহিমান্বিত এক রজনী। এই রাতে বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় ইবাদত-বন্দেগি ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে।

১২ রবিউল আউয়াল ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যের মধ্যদিয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হয়েছে। এই দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়।

কোরবানির পশু আগে থেকে নির্ধারিত হোক কিংবা কোরবানির দিনগুলোতে কেনা হোক, উভয় পদ্ধতিই শরিয়তসম্মতভাবে বৈধ। যদি কোরবানির নিয়তে পশু ক্রয়কারী নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক নাও হন, তাহলে ক্রয়ের মাধ্যমেও তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়ে যায়।

কোরবানি পশু জবাই শুদ্ধ হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট শর্তসমূহ রয়েছে। শরিয়ত অনুযায়ী কোরবানীর পশুর কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে বিস্তারিত বিধান উল্লেখ আছে।

কোরবানির পশুর অংশীদার এবং আকিকা প্রসঙ্গেও ইসলামে নির্দিষ্ট নিয়মাবলী রয়েছে। সাময়িক ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি কোরবানি করতে পারবেন কি না, এ বিষয়েও ধর্মীয় নির্দেশনা বিদ্যমান।

প্রতি সপ্তাহের সেরা দিন হলো শুক্রবার অর্থাৎ জুমার দিন। জুমার দিনকে পৃথিবীর অন্যতম তাৎপর্যবহ দিবস বলা হয়। এটি উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের পক্ষ হতে উপহারস্বরূপ।

জুমার দিনে মৃত্যু ঘটলে বিশেষ ফজিলত রয়েছে। এই দিনে ইন্তেকালকারী ব্যক্তির জন্য বিশেষ সওয়াবের কথা উল্লেখ করা হয়।

বিনা হিসাবে জান্নাত পাওয়া মহান আল্লাহর এক শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। যারা সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবেন, তাদের জন্য এই বিশেষ অনুগ্রহের কথা বলা হয়েছে।

এমন কিছু আমল রয়েছে যেগুলো জীবনকে সুন্দর করে। এই আমলগুলো করলে দুনিয়াতেই এর সুফল পাওয়া যেতে পারে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা জরুরি। হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার ঘটনা বার বার ঘটছে। সঠিক তদন্ত ও তার বিচার না হওয়ায় এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তি হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়।

শেয়ার:

মতামত (0)

লোড হচ্ছে...