প্রবাসীসিডনিতে অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশি চিকিৎসকদের বার্ষিক সম্মেলন
সিডনিতে অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশি চিকিৎসকদের বার্ষিক সম্মেলন
অস্ট্রেলিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সংগঠন এফবিএমএসএ-এর দুই দিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলন ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে সিডনিতে শুরু হচ্ছে। এতে পাঁচ শতাধিক অতিথি ও চিকিৎসক অংশ নেবেন।
অস্ট্রেলিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চিকিৎসকদের সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ মেডিক্যাল সোসাইটিজ অব অস্ট্রেলিয়ার (এফবিএমএসএ) দুই দিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলন ও বৈজ্ঞানিক অধিবেশন আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুরু হচ্ছে। সিডনির পেনরিথ এলাকার ওয়েস্টার্ন সিডনি কনভেনশন সেন্টারে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর মেলবোর্নে সফল আয়োজনের পর এ বছর নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনিতে এই আয়োজন বসছে।
সম্মেলনটিতে ইতোমধ্যে তিন শতাধিক চিকিৎসক নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। চিকিৎসকদের পরিবারসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক অতিথির উপস্থিতি প্রত্যাশা করছেন আয়োজকেরা। সম্মেলনটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল সোসাইটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস’।
সম্মেলনের প্রথম দিন ২৬ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় উদ্বোধনী পর্ব, পারিবারিক সমাবেশ ও নৈশভোজ শুরু হবে। এ পর্বে চিকিৎসক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা থাকছে। বাংলাদেশের প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীতশিল্পী নকীব খান গান পরিবেশন করবেন।
দ্বিতীয় দিন ২৭ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চিকিৎসকদের দিনব্যাপী পেশাগত ও বৈজ্ঞানিক অধিবেশন চলবে। এতে অভিজ্ঞ প্রবাসী চিকিৎসকেরা মূল বক্তা, আলোচক ও প্যানেল সদস্য হিসেবে বক্তব্য দেবেন। দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক অধিবেশনটি ‘রয়েল অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অব জেনারেল প্র্যাকটিশনার্স’-এর পেশাগত অবিচ্ছিন্ন মানোন্নয়ন কার্যক্রম হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।
এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন। অস্ট্রেলিয়ায় অর্জিত চিকিৎসকদের আধুনিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে যৌথ প্রকল্প গ্রহণ এবং একটি প্রাতিষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে।
এফবিএমএসএর বর্তমান সভাপতি মোশারফ হোসেন খান সম্মেলন নিয়ে বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের চিকিৎসকদের একই ছাতার নিচে আনা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, নতুনদের মূলধারার কর্মসংস্থানে সহায়তা এবং প্রবাসে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে দেশীয় সংস্কৃতির যোগসূত্র তৈরিতে এই সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মতামত (0)